West Bengal News: মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গেও সম্ভাব্য জঙ্গি-যোগের খোঁজে এনআইএ তল্লাশি চালানো হল। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

NIA Raids: মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার কুসকারী অঞ্চলে এক কৃষকের বাড়িতে তল্লাশি চালাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের উপস্থিতি ঘিরে সকালেই ওই অঞ্চলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ মিজানুর রহমানের বাড়িতে পৌঁছয় এনআইএ-র চার সদস্যের একটি দল। এরপর বেশ কিছুক্ষণ ধরে বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে কী কী নথি বা সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কোনও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

কৃষকের জঙ্গি-যোগ?

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মিজানুরের এক ছেলে ও এক মেয়ে আছেন। মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। ছেলে উচ্চশিক্ষার জন্য দীর্ঘদিন বাড়ির বাইরে থাকতেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, তিনি ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। তবে কী কারণে এই কৃষকের বাড়িতে এনআইএ-র এই তল্লাশি, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এনআইএ-র পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য জানা যায়নি। ফলে তল্লাশির কারণ নিয়ে এলাকায় তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। সকাল থেকেই কুসকারী অঞ্চলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি ঘিরে বাসিন্দাদের মধ্যে কৌতূহল ও চাঞ্চল্য দেখা যায়।

মসজিদের ইমামকে জিজ্ঞাসাবাদ

দক্ষিণ দিনাজপুরের পাশাপাশি মঙ্গলবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটেও তল্লাশি চালাল এনআইএ। মঙ্গলকোট থানার পালিশগ্রামের এক মসজিদ থেকে এক ইমামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে এনআইএ। মঙ্গলকোট থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাঁকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে এনআইএ-র এক দল মসজিদ থেকে এক মৌলানাকে আটক করে। প্রাথমিকভাবে সন্দেহ, বাংলাদেশের এক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগ রয়েছে। এই ইমামের ফোন এবং তাঁর একটি ডায়েরি বাজেয়াপ্ত করেছে এনআইএ। সেখানে একাধিক বাংলাদেশের ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের দাবি। এই ইমামের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।