দ্বৈপায়ন লালা, মালদহ:  লকডাউন জারি করেও বাগে আনা যাচ্ছেন না করোনাভাইরাসকে! জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা হাজার পেরোল। সংক্রমণের কারণে বন্ধ করা দেওয়া হয়েছে এসবিআই-এর একটি শাখা। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি মালদহে। স্রেফ লকডাউন নয়, কার্ফ জারি দাবি জোরালো হচ্ছে ক্রমশই।

আরও পড়ুন: আমফান ক্ষতিপূরণের টাকা খরচ 'মধুচক্র'-এ, তৃণমূল কাউন্সিলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

প্রশাসনিক আধিকারিক, পুলিশকর্তা, এমনকী জনপ্রতিনিধিও, করোনা ভাইরাসের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না কেউই।  প্রতিটি সপ্তাহে মালদহে নতুন করে সংক্রমিত হচ্ছেন কমপক্ষে ৪০ থেকে ৪৫ জন। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, প্রথমে দিকে শুধুমাত্র পরিযায়ী শ্রমিকরাই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছিলেন। কিন্তু এখন সংক্রমণ কার্যত ছড়িয়ে পড়েছে সমাজের সর্বস্তরে। বস্তুত, মালদহের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিজেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। চিকিৎসায় অবশ্য সেরে উঠেছেন তিনি। সংক্রমিত হয়েছেন উপ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, বিডিও, পঞ্চায়েত সমিতির দুই সভাপতি। বাদ যাননি মালদহ সদরের মহকুমাশাসক, হবিবপুর ও কালিয়াচক থানার আইসি-সহ চারজন পুলিশকর্মীও। 

আরও পড়ুন: নগদ টাকার 'টোপ', রায়গঞ্জে ধরা পড়ল করোনা আক্রান্ত যুবক

এদিকে আবার মালদহে সুজাপুরে স্টেট ব্যাঙ্ক কর্মরত তেরোজন কর্মীর লালারস পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এরপর তড়িঘড়ি ব্যাঙ্কের ওই শাখাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। করোনা মোকাবিলায় মঙ্গলবার থেকে লকডাউন চলছে ওল্ড মালদহ ও ইংরেজবাজার পুর এলাকায়। কিন্তু তাতেও কি আদৌও কোনও লাভ হচ্ছে? জেলার সর্বত্রই কার্ফু জারি করার দাবি তুলেছেন সাধারণ মানুষ।