সরকারি জমি থেকে বেআইনিভাবে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তের নির্দেশ দিল কৃষ্ণনগর জেলা দায়রা আদালত। নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে এই কর্মকাণ্ড চলেছে বলে অভিযোগ।
ফের বিপাকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি জমি থেকে মাটি কেটে বেআইনিভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ডায়বন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হাওয়া মামলায় পুলিশি তদন্তের নির্দেশ আদালতের।
অভিযোগ উঠেছে, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ-সব বিস্তীর্ণ এলাকায় এই কাজ হয়েছে। আর এর পিছনে অভিষেকের বড় ভূমিকা আছে। তেমনই এই ৩০ জনের মধ্যে নাম আছে তৃণমূল বিধায়ক হাসানুজ্জামান শেখ, কালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক আলিফা আহমেদ-সহ একাধিক তৃণমূল নেতার।
কালীগঞ্জের বাসিন্দা বাপন ঘোষ গত ১৫ জুলাই কৃষ্ণনগর জেলা দায়রা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, ২০১৬ সাল থেকে নদিয়ার কালীগঞ্জ ব্লক-সহ নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের শক্তিপুর এলাকার বিস্তীর্ণ সরকারি ও ভেস্টেড জমি থেকে বেআইনি ভাবে মাটি কেটে বিক্রি করা হয়েছে। অভিযোগে, প্রায় ৩৩ হাজার বিঘা জমির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিপুল পরিমাণ অর্থ তোলা হয়েছে অভিযোগ।
এদিকে রাজ্যে পালা বদলের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোট ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার শুনানির পর বুধবার আদালতের বিচারক তরুণ কুমার মণ্ডল অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেন। মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী শীর্ষেন্দু দাসের বক্তব্য, আদালতে অভিযোগগুলো তুলে ধরা হয়েছিল এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলাকারী বাপন ঘোষও আদালত নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমি ও পরিবেশ রক্ষার দাবিতে তারা অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন।
সে যাই হোক, ফের নতুন অভিযোগ উঠল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ডায়বন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হাওয়া মামলায় পুলিশি তদন্তের নির্দেশ আদালকের। একাধিক জেলায় বিঘার পর বিঘা সরকারি জমির মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হাওয়া মামলায় পুলিশি তদন্তের নির্দেশ দিল আদালত।


