রাখে হরি মারে কে। ফের একবার প্রমাণিত হল, নিয়তির কাছে আমারা সবাই রঙ্গমঞ্চের পুতুল মাত্র। সবার আসা-যাওয়ার দড়ি তাঁর হাতে বাঁধা। তাই চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পা পিছলেও বেঁচে গেলেন এক ব্যক্তি। এবারের যাত্রায় 'ঈশ্বর রূপে' তাঁর পাশে দাঁড়ালেন আরপিএফ জওয়ান। কোনওক্রমে প্রাণে বাঁচলেন তিনি।

স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াতেই জল নিতে নেমেছিলেন। ঠিক সময়ে জলও নেওয়াও হয়ে যায়। কিন্তু ট্রেন ছেড়ে দেওয়ায় দৌড়ে উটতে যান চলন্ত ট্রেনে। যাতে পা পিছলে প্লাটফর্ম ও ট্রেনের মাঝখানে ঢুকে যায় ও যাত্রীর পা। ওই অবস্থায় চলতে থাকে ট্রেন। বিষয়টি কর্মরত আরপিএফ জওয়ানের চোখে পড়তেই দ্রুত ওই ব্য়ক্তিকে উদ্ধার করেন তিনি। তাঁর প্রচেষ্টাতেই এই যাত্রায় প্রাণে বাঁচেন ওই ব্যক্তি।  মঙ্গলবার রাতে পুরুলিয়া রেল স্টেশনে নিউদিল্লি-পুরি পুরুষোত্তম এক্সপ্রেসে ঘটে এই ঘটনাটি। ওই যাত্রীর নাম কৈলাস প্রসাদ।

রেল সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনটি পুরুলিয়া স্টেশনের ৩ নম্বর প্লাটফর্মে ঢুকতেই জল নিতে নামেন   ঠিক একটু পরেই ট্রেনটি রওনা দেয়  আর সেই সময়ই চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে ঘটে বিপত্তি। পা পিছলে পড়ে যান তিনি কৈলাস। কর্মরত এক আরপিএফ জওয়ানের নজরে আসতেই ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। থেমে যায় ট্রেনটি।  পরে সামান্য দেরিতে ট্রেনটি আবার প্লাটফর্ম ছেড়ে রওনা দেয়। 

এদিকে প্রাণ ফিরে পেয়ে কৈলাসবাবু জানিয়েছেন, কর্তব্যরত জওয়ানের তৎপরতায় নতুন জন্ম হল তাঁর। পা পিছলে পড়ে গেলেও মাথা ছান্ডা রেখে দরজার হাতল শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন তিনি। যার জেরে ট্রেনের তলায় ঢুকে যাননি। যদিও কৈলাসবাবুকে বাঁচিয়ে তাপ উত্তাপ নেই আরপিএফ জওয়ান জয় শম্ভুর। এত বড় কাজ করার পরও কেউ প্রশ্ন করলেই বলছেন, রাখে হরি মারে কে....