করোনা আবহের মধ্যে আজবকাণ্ড ঘটে গেল হাসপাতালে। কোভিড আক্রান্ত হয়ে সুস্থ রোগীকে পরিবারের লোকেরা গিয়ে জানতে পারলেন তাঁর পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মুখে এই ধরনের ঘটনা শুনে হতবাক হলেন পরিবারের লোকেরা। পরিবারের লোকেরা জানান, একদিনে আগে পর্যন্ত রোগীকে খাবার দিয়ে গিয়েছেন। তারপরেও, তাঁকে পুড়িয়ে দেওয়া হল কীভাবে? 

আরও পড়ুন-'দিলীপ ঘোষ একটা ভাইরাস', তাঁকে তৃণমূলের বুথ কমিটিতে যোগদানের আহ্বান অনুব্রতর

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে খড়দহ বলরাম হাসপাতালে। পরিবারের লোকেরা দেখেন চিকিৎসার পর কোভিড নেগেটিভ যে রোগীকে দেওয়া হচ্ছে, তিনি আসলে শিবনাথ ব্যানার্জী। কোভিডে আক্রান্ত রোগী মোহিনীমোহন মুখার্জীকে গত ১৫ নভেম্বর পুড়িয়ে দেওয়া হয় আলম বাজার শ্মশানঘাটে। গত ৭ নভেম্বর তাঁকে বারাসত কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

আরও পড়ুন-করোনা আবহে শিল্পীদের পাশে সরকার, বড় ঘোষণা মুখ্যসচিবের

এ যেন উদোরপিণ্ডি, বুদোর ঘাড়ে! সূত্রের খবর, এদিন রোগী মোহিনী মোহন মুখার্জীর বাড়ির লোককে ডাকা হয় তাঁকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য। তাঁরা এসে দেখেন তিনি তাঁদের পরিজন নয়, যে রোগীকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে মোহিনী মোহন মুখার্জী নাম দেওয়া হয়েছে তাঁর নাম শিবনাথ ব্যানার্জী বিরাটির বাসিন্দা। ঘটনার জেরে হতচকিত হয়ে খড়দহ পুরসভার চেয়ারপার্সন কাজল সিনহার দ্বারস্থ হন পরিবার। এরপর, খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, একজনের নাম অন্য জনের ফাইলে ঢুকে যাওয়ায় বিপত্তি।