নীচে অপারেশন থিয়েটার। উপরে শৌচাগার। সেই শৌচাগেরর জলেই ভাসছে ওটি। ফলে পনেরো দিন ধরে বন্ধ চোখের অস্ত্রোপচার। ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে চোখের চিকিৎসা করাতে আসা অসংখ্য রোগী। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবশ্য আশ্বাস, মেরামতির কাজ শেষ করে দ্রুত পরিষেবা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। 

বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে সারা বছরে কমবেশি তিন হাজার চোখের ছানির অস্ত্রোপচার হয়। অর্থাৎ প্রতিদিব কমবেশি দশটি অস্ত্রপো

চোখের অপারেশন থিয়েটারের ভিতরে পড়ছে উপরের কার্ডিওলজি বিভাগের শৌচালয় এর জল।  ১৫ দিন ধরে বন্ধ চক্ষু অপারেশন। চক্ষু বিভাগের ছানি সহ বড়সর চক্ষু অপারেশন বন্ধ থাকার কারণে  বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে এসে দুর্ভোগ এর স্বীকার রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা। অপারেশন থিয়েটারের মেরামতের কাজ চলছে খুব শীগ্রই চালু হবার আশ্বাস বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের।


বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে সারা বছরে ছানি অপারেশনের সংখ্যা কমবেশি তিন হাজার। অর্থাৎ দৈনিক গড়ে দশ জনের ছানির অস্ত্রোপচার হয়। জেলা স্তরে তো বটেই, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে ছানি অপারেশনের এই হার কলকাতার বড় হাসপাতালগুলিকেও অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছে । কিন্তু সম্প্রতি বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের চক্ষু বিভাগের অপারেশন থিয়েটারে বড়সড় বিপত্তি দেখা দেয়। এই অপারেশন থিয়েটারের ঠিক উপরের তলে রয়েছে কার্ডিওলজি বিভাগের শৌচালয়। সেখান থেকেই ছাদ চুঁইয়ে চক্ষু বিভাগের ওটিতে শৌচালয়ের জল পড়ছিল। 

শৌচাগারের নোংরা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় দিন পনেরো আগে ওই ওটি- তে অস্ত্রোপচার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। ওটি- তে চুঁইয়ে পড়া জল আটকাতে হাত লাগায় পূর্ত বিভাগ। এখনও সেই কাজ চলছে। বিকল্প ওটি না থাকায় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে আপাতত বন্ধ রয়েছে ছানির অস্ত্রোপচার । এ দিকে এই অস্ত্রোপচার বন্ধ থাকার ফলে বাঁকুড়া সহ আশপাশের জেলা থেকে ছানি অপারেশন করতে আসা রোগীদের ফিরে যেতে হচ্ছে। বাড়ছে দুর্ভোগও। বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজের তরফে জানানো হয়েছে খুব শীঘ্রই ওটি মেরামতের কাজ শেষ হয়ে যাবে। তারপরেই ফের শুরু করা হবে চোখের অস্ত্রোপচার।