মালদা জেলায় নকল পেট্রোল তৈরির একটি কারখানা ফাঁস হয়েছে। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নকল পেট্রোল তৈরির প্রক্রিয়াটি ভয়াবহ। কেরোসিনের সঙ্গে হোয়াইট অয়েল এবং অন্যান্য রাসায়নিক মিশিয়ে এই নকল পেট্রোল তৈরি করা হচ্ছিল। তা বিক্রিও করা হচ্ছিল। এই পেট্রোল ব্যবহার করলে গাড়ির এবং ইঞ্জিনের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
মালদা জেলায় নকল পেট্রোল তৈরির একটি কারখানা ফাঁস হয়েছে। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নকল পেট্রোল তৈরির প্রক্রিয়াটি ভয়াবহ। কেরোসিনের সঙ্গে হোয়াইট অয়েল এবং অন্যান্য রাসায়নিক মিশিয়ে এই নকল পেট্রোল তৈরি করা হচ্ছিল। তা বিক্রিও করা হচ্ছিল। এই পেট্রোল ব্যবহার করলে গাড়ির এবং ইঞ্জিনের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। মালদার হরিশচন্দ্রপুর থানা এলাকায় এই ধরনের পেট্রোল তৈরির খবর পায় পুলিশ। পুলিশকে জানানো হয় যে, কেরোসিন, হোয়াইট অয়েল এবং আরও কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করে নকল পেট্রোল তৈরি করা হচ্ছে। এই পেট্রোল বাজারে বিক্রি হচ্ছিল এবং এলাকার বেশ কয়েকটি পেট্রোল পাম্পেও পাওয়া যাচ্ছিল।

গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে এই খবর আসার পরে প্ল্যান ছকা হয়। এরপর পুলিশ এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। এই জালিয়াতি চক্রের বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে নামে পুলিশ। জাল পেট্রোলের কারখানায় অভিযান চালানো হয়।
কারখানা থেকে একাধিক সামগ্রী জব্দ
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিহার-বাংলা সীমান্ত সংলগ্ন হরিশচন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খোপাকাঠি এলাকার বাসিন্দা সাদিকুল ইসলাম, সাগর, রহমান ও মেহতাব ভেজাল পেট্রোল তৈরির সঙ্গে জড়িত ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তদের একজনকে গ্রেফতার করেছে। কারখানাটিতে তল্লাশি চালিয়ে আট ড্রাম কেরোসিন উদ্ধার করা হয়। ধৃতের ব্যক্তির নাম সাগর। অভিযুক্তকে হরিশচন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত খোপাকাঠি এলাকা থেকে পাকড়াও করা হয়েছে। পুলিশ জানতে পেরেছে বিহার থেকে সাদা তেল এবং রাসায়নিক উপাদান আনা হয়। এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে নেওয়া হচ্ছে কেরোসিন। তারপর তৈরি হয় জাল পেট্রোল। দীর্ঘদিন ধরে এই কারবার চললেও এতদিন পুলিশ প্রশাসনের নজরে আসেনি। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, একদিকে যেমন তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে, অন্যদিকে না জেনে তাঁরা এই জাল পেট্রল ব্যবহার করায় গাড়ির ক্ষতি হচ্ছে। এবাড়ছে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা। অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার পুলিশ অভিযান চালায় বাংলা-বিহার সীমান্ত লাগোয়া হরিশ্চন্দ্রপুরের ইসলামপুর এলাকায়।
