'সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার'। তাই পুণ্য অর্জনের জন্য গঙ্গাসাগরে ভোর রাত থেকে জনস্রোত। দেশের নানা প্রান্ত থেকে শত শত পূণ্যার্থী এসেছেন পুণ্যস্নান করতে। মকর সংক্রান্ত উপলক্ষে বুধবার সারাদিন চলবে স্নান। প্রশাসন  দাবি করছে, এবছর গঙ্গাসাগরে পুণ্যার্থীর সংখ্যা ৩৫ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। 

দেখুন ভিডিও: পৌষ সংক্রান্তিতে টুসু উৎসবে মাতল বিষ্ণুপুর, চৌ ডাল সাজিয়ে চলল নাচ-গান

এবছর অস্থায়ী ভাবে নির্মিত শেডগুলিতে তিলমাত্র জায়গা নেই। খোলা আকাশের নিচেও পূণ্যার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। উত্তরে হাওয়া আর প্রবল ঠান্ডাকে উপেক্ষা করেই চলছএ গঙ্গাস্নান। সঙ্গে 'কপিলমুনি কি জয়'  ও 'গঙ্গামাই কি জয়' আওয়াজে মুখরিত গোটা সাগর দ্বীপ। 

 

 

অনেকেই ভোরে স্নান করার জন্য  গভীর রাত থেকে বসেছিলেন সাগরের তীরে। এদিকে সাগর মেলাকে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে তৈরি প্রশাসনও। পূণ্যার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই কারণে অ্যাম্বুলেন্স সহ সমস্ত পরিষেবার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। 

দেখুন ভিডিও: মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নান, বারাণসীর গঙ্গায় স্নানের ঢল

তবে এবছর পূণ্যস্নানের মহেন্দ্রক্ষণ নিয়ে মতবিরোধ নেই। পঞ্জিকা মতে, ১৪ তারিখ গভীর রাত থেকে শুরু হয়ে স্নান চলবে ১৫ তারিখ বেলা ১২টা ২৪ মিনিট পর্যন্ত। পুণ্য সঞ্চয়ের জন্য শুধু দেশ নয় বিদেশ থেকেও এসেছেন বহু তীর্থযাত্রী। সাগরসঙ্গমে স্নান সেরে চলছে কপিল মুনির মন্দিরে পুজো। ইতিমধ্যে অনেকে স্নান সেরে রওনা দিয়েছেন বাড়ির পথেও। 

মেলা পরিচালনার জন্য সাগরে উপস্থিত রয়েছেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাগর মেলায় নজরদারির জন্য বাবুঘাট থেকে সাগরতট পর্যন্ত প্রায় এক হাজার সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। ৭টি ড্রোন নিরন্তর পাহারা দিচ্ছে। বানানো হয়েছে মেগা কন্ট্রোল রুম।