তাঁর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা সত্যিই জারি হয়েছে বলে জানালেন কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়। এনিয়ে সকাল থেকে ধোঁয়াশা জারি ছিল। সেই ধোঁয়াশা নিজেই কাটালেন কবি। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন,"আমার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। খবরটা ভুয়ো নয়, একশো ভাগ সত্যি। আপাতত এটুকুই। বাকি কথা পরে হবে।"

তাঁর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা সত্যিই জারি হয়েছে বলে জানালেন কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়। এনিয়ে সকাল থেকে ধোঁয়াশা জারি ছিল। সেই ধোঁয়াশা নিজেই কাটালেন কবি। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন,"আমার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। খবরটা ভুয়ো নয়, একশো ভাগ সত্যি। আপাতত এটুকুই। বাকি কথা পরে হবে।" বুধবার সকালে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তাঁকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। পুরনো একটি মামলায় এই গ্রেফতারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হিন্দুত্ব নিয়ে একটি পুরনো কবিতা লেখাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও হিন্দু পরিষদের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই এই কড়া নির্দেশ বলে জানা গিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বিধানসভা নির্বাচনের আগে শ্রীজাতকে গ্রেফতারির এই নির্দেশে ইতিমধ্যেই চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নিন্দায় সরব হয় সাহিত্যিক মহলও। সংবাদমাধ্যমকে শ্রীজাত বলেছিলেন, "এটা কোন মামলা, কী বিষয় আমি কিছুই জানি না। সংবাদমাধ্যম মারফত আমি বিষয়টা জানতে পেরেছি। আমি আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত পরবর্তীতে জানাব৷ আপাতত এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাইছি না।"

শ্রীজাতকে নিয়ে এই খবর কমিশনের দফতরেও পৌঁছে যায়। গোটা ঘটনায় দিকে আঙুল উঠতে শুরু করে। তারপরেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে ফেসবুকে জানানো হয়েছে, শ্রীজাতর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির খবরটি ভুয়ো। বিবৃতিতে বলা হয়, "পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর নির্বাচনী প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিষয়ে কতিপয় ব্যক্তি এবং সংবাদমাধ্যমের একাংশের দ্বারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য ও ভুয়ো খবর ছড়ানোর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। এরূপ কার্যকলাপ কেবল বিভ্রান্তিকরই নয়, বরং তা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনআস্থাকেও ক্ষুণ্ণ করে। মিথ্যা ও যাচাইহীন তথ্য প্রচারের জন্য যারা দায়ী বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

এদিকে, এই বিতর্কে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমডাঙার জনসভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, "সকাল থেকে ফোন আর মেসেজে পাগল হয়ে যাচ্ছি। শ্রীজাতকে নাকি কেউ ফোন করে বলেছে, আপনার বাড়িতে পুলিশ যাচ্ছে, আপনাকে গ্রেফতার করা হবে। আমি সঙ্গে সঙ্গে ওকে ফোন করলাম। ব্যাপারটা কী? এসব কী হচ্ছে? পুলিশ তো এখন আমার হাতে নেই। আমাকে চেনেই না। বিজেপিকে চেনে এখন। আমি অ্যালার্ট করে বলছি, পরে কিন্তু এখানেই আপনাদের কাজ করতে হবে।'