কোনও মানুষের পক্ষে এত নৃশংস হওয়া সম্ভব! বর্ধমান শহরে গর্ভবতী একটি কুকুরকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছিল এক মহিলার বিরুদ্ধে।  ঘটনার দশদিন পর মঙ্গলবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আদালতে তোলা হলে অবশ্য তাঁকে জমিন দিয়ে দেন বিচারক। 

বর্ধমান শহরের গোদা খন্দকর পাড়ায় থাকেন আশিয়া বিবি। পেশায় তিনি নার্সিং। বর্ধমান শহরের একটি নার্সিংহোমে চাকরি করেন আশিয়া। বর্ধমানের একটি পশুপ্রেমী সংগঠনের অভিযোগ, গত ২ নভেম্বর রাতে রাস্তার একটি কুকুর যখন প্রসব করছিল, তখন সারমেয়টি গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন আশিয়া। আগুন পুড়ে সদ্য জন্ম নেওয়া দুটি কুকুর ছানা ঘটনাস্থলে মারা যায়। গুরুতর জখম হয় গর্ভবর্তী কুকুরটি। পশুপ্রেমীদের দাবি, ওই কুকুরটির গর্ভে তখনও ছানা ছিল। ঘটনার পরের দিন ফের প্রসব করতে গিয়ে মারা যায় মা কুকুরটি।  এমন নৃশংস ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় বর্ধমান শহরে। অভিযুক্ত আশিয়া বিবি-র বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় এফআইআর করেন পশুপ্রেমীরা। 

দিন কয়েক আগে মেদিনীপুর শহরেও মানুষের নৃশংসতায় প্রাণ গিয়েছিল এক কুকুরের।  রাতের খাওয়ার জন্য মাংস রান্না করে রেখেছিলেন এক মহিলা। সেই খাবারে মুখ দিয়ে ফেলেছিল বাড়ির পোষ্য সারমেয়টি। সেই আক্রোশেই মালকিন পোষ্যকেই জ্যান্ত পুড়িয়ে মেরেছিলেন বলে অভিযোগ।   উত্তর ২৪ পরগনা খড়দহে আবার রাস্তার কুকুরকে খাওয়ার অপরাধে আক্রান্ত হতে হয়েছে এক মহিলা ও তাঁর ছেলেকে। প্রতিবেশীর বেধড়ক মারে মাথা ফেটে যায় দু'জনেরই।