সেলফি তোলার অছিলায় প্রেমিকই তাকে নদীতে ফেলে দিয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার সপ্তাহ খানেক বাদে অবশেষে ভাগীরথী নদীতে থেকে এক কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার করল পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে।

মৃতার নাম পায়েল দাস। বাড়ি, মুর্শিদাবাদ থানা এলাকার পুটিয়াপাড়ায়। স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী পায়েল। এবছরই তাঁর মাধ্যমিক দেওয়ার কথা ছিল। স্থানীয় সূত্রে খবর, রাজকুমার নামে এলাকারই এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল পায়েল-এর। কিন্ত ইদানিং তাদের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না, দু'জনের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। পরিবারের লোকেদের দাবি, গত সোমবার সকালে সেলফি তোলার প্রলোভন দেখিয়ে পায়েল ভাগীরথী নদীর উপর নশিপুর-আজিমগঞ্জ রেলব্রিজে নিয়ে যায় রাজকুমার। রেলব্রিজের উপর ওই কিশোরী যখন সেলফি তোলায় মগ্ন, তখন প্রেমিকই তাকে নদীতে ছুঁড়ে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ।  এদিকে এই ঘটনার পর রাজকুমার এলাকা ছেড়ে যেতে দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের।  অভিযুক্তদের তাঁরা আটকানোর চেষ্টা করেন বলে জানা গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, নিজেকে পায়েল-এর আত্মীয় বলে পরিচয় দেয় রাজকুমার এবং তাঁদের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যায়। 

আরও পড়ুন: দিঘায় হোটেল খুঁজে দেওয়ার নামে যুবতীকে 'ধর্ষণ', খোয়া গেল নগদ টাকা ও মোবাইলও

খবর পাওয়ামাত্রই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ভাগীরথী নদীতে পায়েল-এর সন্ধানে তল্লাশি শুরু করে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিশ। নামানো হয় ডুবুরিও। কিন্তু ওই কিশোরীর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।  জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে মুর্শিদাবাদেরই সদরঘাট এলাকায় নদীতে পায়েল দাস-এর মৃতদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা।