চায়ের সঙ্গে যে মাদক মেশানো ছিল, তা টের পাননি। দিঘায় বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হলেন এক যুবতী। তাঁর নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাই হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা। অভিযুক্তকে খুঁজছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, মালদহের ইংরেজবাজার এলাকায় বাড়ি নির্যাতিতার।  একাই বেড়াতে বেরিয়েছিলেন তিনি, দীঘায় পৌঁছন রবিবার।  নির্যাতিতার দাবি, দিনভর ঘোরাঘুরির পর রাতে দিঘা স্টেশনে ট্রেন ধরতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু স্টেশনে গিয়ে দেখেন, ট্রেন চলে গিয়েছেন। রাতে যখন একা স্টেশনে বসেছিলেন, তখন এক যুবক এগিয়ে এসে ওই মহিলার সঙ্গে ভাব জমায় বলে জানা গিয়েছে। ওই মহিলা পর্যটকের দাবি, নিজেকে হোটেল মালিক পরিচয় দেওয়াই শুধু নয়, তাঁকে হোটেল খুঁজে দেওয়ার প্রস্তাব দেয় অভিযুক্ত। বাড়ি ফেরার উপায় নেই, অগত্যা অভিযুক্তের প্রস্তাবে রাজিও হয়ে যান নির্যাতিতা। এরপর দিঘা লাগোয়া ওড়িশায় চন্দনেশ্বরের একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশকে ওই মহিলা জানিয়েছেন, রাতে হোটেলে অভিযুক্তের সঙ্গে এক ঘরেই ছিলেন তিনি। চা-এর সঙ্গে মাদক মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। চা খেয়ে যখন বেহুশ হয়ে পড়েন, তখন মুখ বেঁধে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়।  সকালে নির্যাতিতার নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাই করে ওই যুবক চম্পট দেয় বলে অভিযোগ। 

আরও পড়ুন: পরকীয়া সম্পর্কে টানাপোড়েনে খুন কিশোর, রাস্তায় মিলল রক্তাক্ত দেহ

এর আগে আত্মীয়ের সঙ্গে পুরীতে বেড়াতে গিয়ে বিপাকে পড়ে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। সমুদ্র স্নানের পর হোটেলে ফিরে যখন  পোশাক পাল্টাচ্ছিল সে, তখন ওই আত্মীয় তার নগ্ন ছবি মোবাইলে তুলে রাখে বলে অভিযোগ। ওই কিশোরীর দাবি, সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করার হুমকি দিয়ে তাকে লাগাতার ধর্ষণ করে সে।