Purba Medinipur News: ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে ততই চড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ। এবার কমিশনের নির্দেশে জেলাশাসক বদল। কোন জেলায় জেলা শাসক বদল? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Purba Medinipur News: পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বদলি। নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপ। বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বড় প্রশাসনিক রদবদল করল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা নির্বাচন আধিকারিক তথা জেলাশাসক ইউনিস রিশিন ইসমাইলকে বদল।

ভোটের মুখে ফের জেলাশাসক বদল:-

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের কাজে নিয়োজিত কর্মীদের ডাটাবেস তৈরির সময় কমিশনের নির্দেশ অমান্য করে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ ওঠে। এই নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত পদক্ষেপ করে কমিশন। ইসমাইলের পরিবর্তে নতুন জেলা নির্বাচন আধিকারিক ও জেলাশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে নিরঞ্জন কুমারকে। তাঁকে অবিলম্বে দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, পুরো ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দায় নির্ধারণ করে তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে।

অন্যদিকে, ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসার বদল, ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের। আসন্ন নির্বাচনের আগে বড় প্রশাসনিক রদবদল করল নির্বাচন কমিশন। রাজ্য জুড়ে একযোগে ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসার (RO) বদল করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যেসব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একই আধিকারিক দায়িত্বে ছিলেন বা যেখানে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, সেসব ক্ষেত্রেই এই বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দ্রুত কাজে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

সূত্রের খবর, নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ। ভোটার তালিকা সংশোধন থেকে শুরু করে ভোটগ্রহণের সার্বিক ব্যবস্থাপনা—সব ক্ষেত্রেই যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে, সেদিকেই বিশেষ নজর দিচ্ছে কমিশন। রাজনৈতিক মহলে এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্ব রুখতেই এমন পদক্ষেপ জরুরি ছিল। যদিও কমিশন স্পষ্ট করেছে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার স্বার্থেই এই বদলি করা হয়েছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রশাসনিক কড়াকড়ি বাড়াচ্ছে নির্বাচন কমিশন—এই পদক্ষেপ সেই ধারারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।