সংকল্প নিতে গিয়ে বিতর্কে জড়ালেন বিজেপির নেতারা। গান্ধী সংকল্প যাত্রায় উল্টো জাতীয় পতাকা নিয়ে চলল মিছিল। যা ঘিরে বিরোধীদের কটাক্ষের শিকার হল গেরুয়া ব্রিগেড। 

কর্মসূচি মেনে রবিবার বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদাতে শুরু হয় সংকল্প যাত্রা। বেলদা বাইপাস থেকে বেলদা বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত সংকল্প যাত্রার নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি সমিত দাস। সংকল্প যাত্রার প্রথমের সারিতে ছিল বেশকিছু শিশু। ভারত মাতা সাজিয়ে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় জাতীয় পতাকা। তার মধ্যেই একটি বড় জাতীয় পতাকা উল্টো করে হাঁটে ওই নাবালিকা। এমনকী বেলদা বাইপাস থেকে বেলদা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত পৌঁছানোর পর ওই শিশুকন্যাকেই সংবর্ধনাও দেওয়া হয়। সামনের সারিতে বিজেপির জেলা সভাপতি সহ অন্যান্যরা থাকলেও বিষয়টি খেয়াল করেননি কেউ। 

তবে বিজেপির মিছিলে জাতীয় পতাকা উল্টো করে হাঁটায় বিতর্ক শুরু হয়েছে বেলদাজুড়ে।  এবিষয়ে সিপিআইএমের স্থানীয় জেলা কমিটির নেতা ভাস্কর দত্ত বলেন, যে বালিকা ওই পতাকা নিয়েছিল তার দোষ নেই। কিন্তু যারা মিছিলে নেতৃত্ব  দিচ্ছিলেন তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। এরা মুখে জাতীয়তাবাদের কথা বললেও জাতীয় পতাকার মর্যাদাটাই দিতে জানে না। 

তবে এই প্রথমবার নয়। সংকল্প যাত্রাকে ঘিরে ইতিমধ্য়েই 'খুচরো ভুলের'শিকার হয়েছে বিজেপি। এই ঘটনার একদিন আগে বিপ্লবী হেমচন্দ্র কানুনগোর মূর্তিতে মালা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু বক্তব্য রাখতে গিয়ে হেমচন্দ্র কানুনগোকে 'হেমন্ত কানুনগো' বলে ফেলেন তিনি। এদিকে পতাকা উল্টো থাকার বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি সমিত দাস বলেন,পতাকাটি ঠিকই দেওয়া ছিল, নাবালিকাটি কোনও কারণে খেয়াল না করে উল্টো ধরে নিয়েছিল। আমরা পরে বুঝতে পেরে বিষয়টি শুধরে নিয়েছি। একটু ভুল হয়েছিল খেয়াল না করায়।