ধর্মতলায় ডিওয়াইএফআই কর্মী মইদুল ইসলাম মিদ্দার মৃত্যুতে তোলপাড় শহর কলকাতা। একাধিক জায়গা থেকে মিছিল আন্দোলনের ডাক দেওয়া হচ্ছে দফায় দফায়। ধীরে ধীরে তা বৃহত্তর আন্দোলনের রূপ নিতে চলেছে। ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে একের পর এক প্রতিবাদের কর্মসূচী ও আন্দোলনের তোপই এবার ধেয়ে আসছে শহর তথা রাজ্যে। ১৭ ফেব্রুয়ারী থানা ঘেরাও কর্মসুচী নেওয়া হয়েছে বাম ছাত্র পরিষদদের তরফ থেকে। আর রাত পোহালেই ১৮ ফেব্রুয়ারি রেল অবরোধের পথে হাঁটবে তারা। 

আরও পড়ুন- করোনার প্রকোপ সরস্বতী পুজোতেও, স্কুলে পুজো হলেও ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতির হার প্রায় শূন্য

এছাড়ারও শহর জুড়ে একাধির মিছিল মিটিং-র এরল মধ্যে দিয়ে প্রতিবাদে সরব এসফআই। সোমবারই শহরের ব্যস্ততম ক্রশিং মৌলালীতে আন্দোলেন নেমে ছিল ছাত্র পরিষদ। সৃষ্টি হয় ব্যপক জানজট। সেখান থেকেই কলকাতা পুলিশ গ্রেফতার করে ২৫০ জন আন্দোলনকারীকে। ১১ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু এই মর্মে প্রতিবাদ। নবান্ন ঘেরাও কর্মসূচীর ডাক দেওয়ার পরই ধুমধুমার কাণ্ড বেঁধে যায় ধর্মতলায়। কাদান গ্যাস থেকে শুরু করে লাঠি চার্জ, বিপুল সংখ্যক আন্দোল কারীকে কাবুতে আনতে নানা পদ অবলম্বণ করে কলকাতা পুলিশ। 

সেদিনই ভয়াবহভাবে জখম হয়েছিলেন ডিওয়াইএফআই নেতা। এরপর মইদুলের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসার পরই রে রে করে ওঠে যুব ছাত্রের দল। সেখান থেকেই শুরু এই দফা. দফায় প্রতিবাদ। বৃহস্পতিবার সেই সূত্রেই রেল অবরোধ করতে চেলেছে এই এসএফআই। একদিকে ভোট ঘিররে সরগরম রাজ্য, তার মাঝে ক্রমেই বেড়ে উঠলে নবান্ন অভিযানে পুলিশের ভূমিকা ঘিরে প্রতিবাদ আন্দোলন। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অবরোধ, মিছিল মিটিং।