Sona Pappu Arrest: সোমবার সকালে, হটাৎ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা-পাপ্পু। তারপর থেকেই টানা জেরা চলতে থাকে। এবার সোজা গ্রেফতার। আর্থিক প্রতারণা এবং তোলাবাজি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করল ইডি।  

Sona Pappu Arrest: সোনা পাপ্পু গ্রেফতার! কোনও অভিযুক্তকে ছাড় নয়, বুঝিয়ে দিচ্ছে রাজ্যের নতুন সরকার। এবার গ্রেফতার হলেন কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা-পাপ্পু। উল্লেখ্য, নির্বাচনের আগে থেকেই একাধিক কারণে তাঁর নাম বারবার শোনা যেতে থাকে। সোমবার সকালে, হটাৎ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা-পাপ্পু (sona pappu kasba)। প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারি মাসে, রবীন্দ্র সরোবরের ঘটনায় নাম জড়ায় তাঁর (sona pappu news)। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তবে নানা অভিযোগে নাম জড়ালেও অধরা ছিলেন এই ব্যক্তি। সোমবার সকাল থেকে টানা ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর, রাতে তাঁকে আর্থিক প্রতারণা এবং তোলাবাজি মামলায় গ্রেফতার করল ইডি।

সোনা-পাপ্পু গ্রেফতার!

তবে এর আগে খোঁজ করলেও সোনা-পাপ্পুকে কিছুতেই ধরা যাচ্ছিল না। মাঝে মাঝে ফেসবুক লাইভ করতেন তিনি। এমনকি, তাঁর বাড়িতে হানাও দেন ইডি অফিসাররা। তবে রাজ্যে পালাবদল হতেই সোমবার, হটাৎ সল্টলেকে ইডির দফতরে উপস্থিত হন সোনা-পাপ্পু। কিন্তু ঢোকার সময় তিনি বলে গেলেন, কোনও দোষ করেননি।

সোমবার সকালে, সল্টলেকের ইডি দফতরে প্রবেশ করার সময় তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা করছেন? উত্তরে সোনা-পাপ্পু জানান, ‘‘আমি তো কোনও দোষ করিনি। জীবনে কোনও দিন তোলাবাজি করিনি। আমার সোনার দোকান রয়েছে। আজ পর্যন্ত, কোনও থানায় আমার বিরুদ্ধে তোলাবাজির কোনও অভিযোগ করা হয়নি।’’

অন্যদিকে, ইডি সূত্রে জানা গেছে, সোনা-পাপ্পুর বাড়ি থেকে একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। যে বিদেশি পিস্তলটি তাঁর বাড়িতে পাওয়া যায়, সেটি আবার জয় কামদারের মাধ্যমে কেনা হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই পিস্তলটি গড়িয়াহাট থানায় জমাও করা হয়। শুধু তাই নয়, সোনা-পাপ্পুর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলেও খবর। তোলাবাজি এবং হুমকি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

সোমবারই হাজিরা দেন ইডি দফতরে

ইডি সূত্রে খবর, কসবা ও বালিগঞ্জের একাধিক এলাকায় বেশ কিছু সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন এই সোনা-পাপ্পু। তবে দীর্ঘদিন ধরেই খোঁজ চলছিল তাঁর। তদন্তকারীরা মনে করছিলেন, অন্য কোনও রাজ্যে হয়ত গা ঢাকা দিয়েছেন। কিন্তু অন্য রাজ্যে থাকলে টাকার জোগান আসছে কীভাবে? সেটা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তদন্তকারীরা মনে করতে শুরু করেন, হাওয়ালার মাধ্যমে সনা-পাপ্পুর কাছে টাকা পাঠানো হচ্ছিল।

তবে সোমবার সকালে, হটাৎ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তথা ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা-পাপ্পু। তারপর থেকেই টানা জেরা চলতে থাকে। এবার সোজা গ্রেফতার। আর্থিক প্রতারণা এবং তোলাবাজি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করল ইডি।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।