বারুইপুরে ফের খুনের ঘটনা। ফুটবল খেলা নিয়ে বিবাদের জেরে প্রসেনজিৎ বিশ্বাস নামে এক কিশোরকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা, স্থানীয়রা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।
আবার শিরোনামে বারুইপুর। নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নিয়ে রণক্ষেত্র বারুইপুর। আর এবার সেই বারুইপুরেই খুন হল এক কিশোর। মৃতের নাম প্রসেনজিৎ বিশ্বাস। ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর পালপাড়া ব্যাঙ্ক সংলগ্ন এলাকায়।

জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত তিনজন ছেলে এই কাজ করেছে। তিনদিন আগে একটি ফুটবল খেলায় জিতে যায় প্রসেনজিৎ। এই নিয়ে শুরু ঝামেল। এর জেরে প্রসেনজিৎ-কে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে খুন করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালের সামনে রাস্তা অবরোধ করে এলাকার লোকজন। পুলিশ ক্যাম্প ভাঙচুর করে। পরস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ।
মৃতের দাদা জানিয়েছেন, যারা আমার ভাইকে মেরেছে তাদের দেখতে দিচ্ছে না পুলিশ। যাঁরা মার্ডার করল তাঁদের পুলিশ আটকে রেখেছে। বাচ্চা ছেলেকে কুপিয়ে খুন করল। বিচার চাই।
এদিকে রবিবার নাবলিকার দেহ উদ্ধার হয় একটি পুকুর থেকে। ঘটনায় ২ জন গ্রেফতার হয়েছে। সোমবার আরও একজন গ্রেফতার হয়। এই ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও চলছে তদন্ত। পরিবার সূত্রের খবর, কিশোরী শনিবার বিকেলে স্থানীয় একটি দোকানে খাবর কিনতে গিয়েছিল। কিন্তু তারপর আর তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরিবারের অভিযোগ চার জন তাদের মেয়েকে তুলে নিয়ে গেছে। রবিবার সকালেই বাড়ির কাছে একটি পুকুর থেকে উদ্ধার হয় কিশোরীর দেহ। তারপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা। তারাই পথ অবরোধ করে। সূর্যপুর স্টেশনেও অবরোধ করে। শিয়ালদহ নামখানা লাইনে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। অবরোধ তুলতে পুলিশ লাঠি চার্জ করে। পাল্টা রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় জনতা। মৃতার পরিবার জানিয়েছে, ‘আমার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কথা হয়েছে। উনি আমাদের মঙ্গলবার ভবানীভবনে যেতে বলেছেন। বলেছেন, কোনও দোষীকে ছাড়া হবে না। আমাদের সব দাবি শোনা হবে বলে কথা দিয়েছেন। সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।’
এরই মাঝে এক নাবালকের খুনের ঘটনা সামনে এল। খেলা নিয়ে বচসা বাঁধে প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের সঙ্গে। তাঁরপর তাঁকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়। এই ঘটনায় উত্তপ্ত বারুইপুর।


