দিল্লির অশান্তি আঁচ এ রাজ্যে ছড়াবে না তো? ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে চন্দননগর কমিশনারেট এলাকায় রুটমার্চ শুরু করল রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী। আপাতত কয়েকদিন এই রুটমার্চ চলবে বলে জানা  গিয়েছে। 
আরও পড়ুন: বসন্তের শুরুতেই খনি অঞ্চলে ডায়ারিয়ার প্রকোপে আতঙ্কিত স্থানীয়রা

সাতসকালে এলাকার ভারী বুটের শব্দ। কৌতুহলবশত বাড়ির বাইরে বেরিয়ে চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের। রাস্তায় বন্দুক কাঁধে ঢহল দিচ্ছেন উর্দিধারীরা!  সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী রুটমার্চ শুরু হল হুগলির চন্দননগর কমিশনারেট এলাকায়। শুক্রবার সকালে ওসি নেতৃত্বে রিষড়ার বিভিন্ন এলাকায় রুটমার্চ করেন সশস্ত্র পুলিশকর্মীরা। শনিবার রুটমার্চ চলল চন্দননগর ও লাগোয়া এলাকায়। জানা গিয়েছে, চুঁচুঁড়ায় ক্যাম্প করে থাকছেন সশস্ত্র পুলিশবাহিনীর সদস্যরা। আগামী কয়েক দিন চন্দননগর-সহ সাতটি থানা এলাকা টহল দেবেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: বৌভাতের আসরেই নবদম্পতির মরণোত্তর দেহদান, অনুপ্রাণিত হয়ে সামিল আরও ১৮

কিন্তু এলাকায় তো কোনও অশান্তির খবর নেই। তাহলে কেন রুটমার্চ? সিএএ বিরোধী বিক্ষোভে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দিল্লি। গত কয়েক দিন ধরে লাগাতার হিংসা চলেছে রাজধানী। এখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ৪২ জন। ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে এ রাজ্যের প্রশাসনও। সূত্রের খবর, স্রেফ চন্দননগরই নয়, রাজ্যের সবকটি কমিশনারেট এলাকাতেই সশস্ত্র পুলিশবাহিনীকে রুটমার্চ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।