বিজেপিতে যোগ দিলেন সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য এবং শ্রম দফতরের প্রাক্তন আধিকারিক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। সল্টলেকের বিজেপির পার্টি অফিসে তিনি কেন্দ্রের শাসকদলে যোগ দেন।

বিজেপিতে যোগ দিলেন সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য এবং শ্রম দফতরের প্রাক্তন আধিকারিক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। সল্টলেকের বিজেপির পার্টি অফিসে তিনি কেন্দ্রের শাসকদলে যোগ দেন। তাঁকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র যাদবের উপস্থিতিতে দলে স্বাগত জানানো হয়। বিজেপিতে যোগ দিয়েই রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন সুমিত্র। রাজ্যে কর্মসংস্থান নিয়ে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করেন। কর্মসংস্থান নীতির বিরুদ্ধে গুরুতর প্রশ্ন তোলেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সুমিত্র বলেন, "এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের সঙ্গে যুক্ত লক্ষাধিক যুবকের তথ্য একটি প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে মুছে ফেলা হয় এবং তার পরিবর্তে এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্ক গঠন করা হয়, যেখানে প্রায় ৪০ লক্ষ যুবক নথিভুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে যুবশ্রী প্রকল্প চালু করা হয়, যা পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে যুব সাথী প্রকল্পের অধীনে বেকার যুবকদের মাত্র ৫০ টাকা প্রতিদিন সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, যা যুবসমাজের প্রকৃত কর্মসংস্থানের প্রয়োজন মেটাতে ব্যর্থ।'

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র যাদব তাঁর বক্তব্যে বলেন, "বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বন্দে মাতরম' দেশের মধ্যে জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেমের চেতনা সুদৃঢ় করেছে। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারা পশ্চিমবঙ্গকে উন্নত বাংলা গঠনের পথে অনুপ্রেরণা জোগাবে।' তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সমাজের সম্মানিত এবং দেশহিতৈষী ব্যক্তিদের বিজেপিতে যোগদান রাজ্যে ইতিবাচক রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনকে আরও শক্তিশালী করবে।

বিজেপি সূত্রে খবর, সুমিত্রকে কলকাতার কোনও একটি আসন থেকে প্রার্থী করা হতে পারে। তবে, ঠিক কোন আসন তা জানা যায়নি। বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিতে নানা কর্মসূচি নিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। সংসদে এনিয়ে আলোচনাও হয়েছে। পাশাপাশি, এখন থেকে সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম গাওয়া বা বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্কুলে স্কুলেও গাইতে হবে বন্দে মাতরম।