'কোনও জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে আশালীন ভাষার ব্য়ক্তিগত আক্রpvমণ কাম্য নয়।' নাম না করে এবার তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাল্টা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। হুগলিতে এক জনসভায় উপস্থিত জনতার কাছে তাঁর প্রশ্ন, 'আমাকে বা আমার পরিবারকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করলে কি আপনারা মেনে নেবেন?' তুললেন জেলার প্রাক্তন বাম সাংসদ, প্রয়াত অনিল বসুর প্রসঙ্গও।

আরও পড়ুন: শুভেন্দুর সমর্থনে ফের পোস্টার হাওড়ায়, আবারও 'আমরা দাদার অনুগামী'

তিনি যে ঠিক করতে চাইছেন, তা বোধগম্য হচ্ছে না কারওই। নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক তথা পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে এখন জোর গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে। দলের ব্যানার ছাড়াই একের পর এক জনসভা করে চলেছেন শুভেন্দু। এমনকী, শহিদ দিবসে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের কর্মসূচিতে যোগ দেননি তিনি। সভা করেছেন আলাদাভাবে। এদিকে আবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পরিবহণমন্ত্রীকে সমর্থন জানিয়ে পোস্টারও দিচ্ছেন অনুগামীও। সেই পোস্টারে দেখা যাচ্ছে না দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি ও তৃণমূলের প্রতীকও। 

আরও পড়ুন: ভিলেন করোনাভাইরাস, এবছর নমো নমো করেই চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো

এসবের মাঝেই চাঁচাছোলা ভাষায় নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করেছেন হুগলির শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ১২ নভেম্বর এক জনসভায় তিনি বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামে গাছের তলায় বড় হয়েছিস। ৪টি মন্ত্রিত্ব পেয়েছিস, ৪ খানা চেয়ারে বসেছিস। কত পেট্রল পাম্প করেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে মিউনিসিপ্যালিটিতে আলু  বিক্রি করতিস রে, আলু বিক্রি করতিস।' কল্যাণের হুঁশিয়ারি, 'দেখি কত বড়! দেখতে চাই কত হিম্মত রয়েছে! বাংলার মাটিতে দেখতে চাই, কোন দাদার কত অনুগামী? বেইমানদের আগামীদিনে বুঝিয়ে দেব।'  চুপ করে থাকলেন না শুভেন্দুও। হুগলিতে দাঁড়িয়ে নাম না করে পাল্টা জবাব দিলেন তৃণমূল সাংসদকেও। স্মরণ করিয়ে দিলেন,  'প্রাক্তন বাম সাংসদ, প্রয়াত অনিল বসু যখন অশালীন ভাষায় ব্যক্তিগত আক্রমণ করতেন, তখন হুগলি জেলার মানুষ কিন্তু সমর্থন করেননি।'