রাজ্য জুড়ে এনআরএসের ঘটনার জেরে ধর্মঘট চালাচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। হাসপাতাল গুলিতে ডাক্তাররা ধর্মঘটে সামিল হয়ে বর্হিবিভাগে রোগী দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন। তিন দফা দাবি প্রশাসন না মেনে নিলে এই কর্মবিরতি না তোলারও হুমকি দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ইতিমধ্যে শুরুও হয়ে গিয়েছে ভোগান্তি। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে হাতাহাতি হয়েছে রোগীর সঙ্গে চিকিৎসকদের। কেমো না নিতে পেরে ফিরতে হয়েছে জোকা ইএসআই হাসপাতালের রোগীদের।

সারা রাজ্য জুড়ে যখন এই ছবি, ঠিক সেই সময় অন্য অন্য ছবি দেখা গেল পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। হাসপাতালের সুপার নিজেই বর্হিবিভাগে রোগী দেখলেন বুধবার। কিন্তু কেন এই সিদ্ধান্ত?  সুপার শচীন্দ্রনাথ রজক জানান,'বহু দূর গ্রামাঞ্চল এলাকা থেকে রোগীরা এসেছে মানবিকতার খাতিরে তাই রোগী দেখছি।'  পাশাপাশি  এনআরএস-এর ঘটনার তীব্র নিন্দাও করেন এই সুপার। ডাক্তারবাবু বর্হিবিভাগের চেম্বারে নেই কিন্তু হাসপাতালের সুপার নিজেই রোগী দেখছেন। স্বাভাবিক বাবেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন রোগীর পরিবারের সদস্যরা।

প্রসঙ্গত সোমবার বিকেল থেকেই চিকিৎসায় গাফিলতির জেরে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে, এই অভিযোগে হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন মৃতের পরিজনরা। রাতের দিকে হাসপাতালে কর্তব্যরতজুনিয়র চিকিৎসক পরিবাহ মুখোপাধ্যায়কে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর ফ্রণ্টাল লোবে আঘাত লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসাইন্সে। এর পরেই নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এদিন সকাল নটা থেকে শুরু হয় কর্মবিরতি। ভোগান্তির মধ্যে পড়েন রাজ্যব্যাপী রোগীরা।