ঠাকুরপুকুরে বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক যুবতী। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত বন্ধু সহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। নির্যাতিতার মোবাইল ফোনটিও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ, যা পুলিশ উদ্ধার করেছে এবং তদন্ত চলছে।
রাতে বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হলেন যুবতী। ঠাকুরপুকুর থানায় এমনই অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা। শুধু ওই বন্ধু নয়, আরও দুজনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাতে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রধান অভিযুক্ত ওই নির্যাতিতার বন্ধু। জানা গিয়েছে, জোর করে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন প্রধান অভিযুক্ত। তারপর তাঁকে নির্যাতন করেন অপর এক অভিযুক্ত। জানা গিয়েছে, তাঁর সঙ্গে অভব্য ব্যবহার করা হয়। তাঁর মোবাইল পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
তরুণীর দাবি, শনিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে। তাঁর মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ তদন্তে নেমে তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তৃতীয় অভিযুক্তের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মোবাইল ফোন উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কেন নির্যাতিতার ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃত তিন জনকে জেরা করেছে পুলিশ। চলছে তদন্ত। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রধান অভিযুক্তের দুই বন্ধু রবিবার সকালে তার বাড়ি গিয়েছিল। এখনও পর্যন্ত নির্যাতিতাকে হেনস্থার ঘটনায় তাদের প্রত্যক্ষ যোগ পাওয়া যায়নি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
অভিযুক্তদের মধ্যে একটি খাবার সরবরাহ সংস্থার অফিসে নিরাপত্তারক্ষী। বাকি দুজনের মধ্যে একজন যাত্রিবাহী বাইক চালান। অন্যজন চিকিৎসকের কম্পাউন্ডার। জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা প্রথমে নেতাজি নগর থানায় মোবাইল হারানোর অভিযোগ জানান। পরে সব শুনে পুলিশ তাঁকে ঠাকুর পুকুর থানায় পাঠায়।
আপাতত চলছে ঘটনার তদন্ত। ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হতে হয় যুবতীকে। ঠাকুর পুকুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ।


