বিজেপি-র লাল বাজার অভিযান ঘিরে উত্তেজনা পুলিশের নজর এড়িয়ে পৌঁছে গেলেন তিন মহিলা সমর্থক লালবাজারের সামনেই জয় শ্রীরাম স্লোগান

একেই বোধহয় বলে নিরাপত্তার ফস্কা গেরো। পুলিশের কড়া নজরদারি এড়িয়ে লালবাজারের সামনে গিয়ে জয় শ্রীরাম স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখালেন তিন মহিলা বিজেপি কর্মী। আচমকা তাঁরা লালবাজারের প্রধন ফটকের সামনে পৌঁছে যাওয়ায় হকচকিয়ে যান পুলিশকর্মীরাও। শেষ পর্যন্ত অবশ্য চেষ্টা করেও লালবাজারে ঢুকতে পারেননি ওই তিন বিজেপি কর্মী। মহিলা পুলিশের সাহায্যে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সন্দেশখালি কাণ্ডের প্রতিবাদে এ দিন লালবাজার অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। বিজেপি-র শেষ লালবাজার অভিযানে পুলিশি নজরদারি এড়িয়েই সেবার লালবাজারের সামনে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। এ বার তাই আগাম সতর্কতা নিয়েছিল পুলিশ। কোনওভাবে যাতে বিজেপি সমর্থকরা লালবাজারের ধারেকাছে পৌঁছতে না পারে তা নিশ্চিত করতে প্রায় তিন হাজার পুলিশ কর্মীকে মোতায়েন করা হয়। লালবাজার সংলগ্ন ছোট রাস্তা, গলিগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হয়। বহুতলের উপর থেকে ক্যামেরায় চলে নজরদারি। 

এত আয়োজনের পরেও এ দিন বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ আচমকাই তিন মহিলা বিজেপি সমর্থক জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে দিতে লালবাজারের সামনে পৌঁছে যান। প্রাথমিক জড়তা কাটিয়ে তাঁদের বাধা দেয় পুলিশ। ছুটে আসন মহিলা পুলিশকর্মীরা। বাধা পেয়ে রাস্তায় বসেই লালবাজারের সামনে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে থাকেন ওই তিন বিজেপি কর্মী। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের গ্রেফতার করে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। মনে করা হচ্ছে, আগে থেকেই ওই তিন মহিলা কর্মী সমর্থক কোনও বহুতলে লুকিয়ে ছিলেন। 

এ বারই সম্ভবত প্রথমবার বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রিক শিল্ড ব্যবহার করছে কলকাতা পুলিশ। এতদিন বিক্ষোভ ঠেকাতে ফাইবারের বিশেষ আস্তরণ ব্যবহার করত পুলিশ। এবার একই ধরনের দেখতে ইলেক্ট্রিক শিল্ড ব্যবহার করবেন পুলিশকর্মীরা। এর ফলে বিক্ষোভকারীরা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে গেলেই বিদ্যুতের ঝটকা খাবেন। 

ইতিমধ্যেই লালবাজার অভিযানের মিছিল সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে শুরু করেছে বিজেপি। মিছিলে রয়েছেন মুকুল রায়, কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র মতো বিজেপি-র শীর্ষ স্থানীয় নেতা এবং সাংসদরা।