TMC Bypoll Bengal: আগামী ৬ অক্টোবর রেজিনগর এবং নন্দীগ্রাম আসনে উপনির্বাচন রয়েছে। আর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন হল, ১৬ সেপ্টেম্বর, বুধবার। প্রসঙ্গত, কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের প্রার্থী হয়েছেন সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন রবিউল আলম চৌধুরী।
TMC Bypoll Bengal: রাজ্যে আসন্ন দুটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলশিবির (TMC West Bengal bypoll)। রেজিনগরে তাদের প্রার্থী শেখ সফিউদ্দিন জামান এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছেড়ে যাওয়া নন্দীগ্রামআসনটিতে তাদের প্রার্থী হচ্ছেন মহম্মদ এহেতাশ মুল হক। তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই প্রার্থীরা কোন প্রতীকে লড়বেন, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। কারণ, জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে এখনও রায় দেয়নি নির্বাচন কমিশন (West Bengal assembly bypoll)।
কার দখলে থাকবে জোড়াফুল? মমতা না ঋতব্রত? | Ritabrata Banerjee | TMC News
উপনির্বাচনের দুটি আসনেই প্রার্থী দিল ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল!
আগামী ৬ অক্টোবর রেজিনগর এবং নন্দীগ্রাম আসনে উপনির্বাচন রয়েছে। আর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন হল, ১৬ সেপ্টেম্বর, বুধবার। প্রসঙ্গত, কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেই প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের প্রার্থী হয়েছেন সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন রবিউল আলম চৌধুরী। তারপরেই সোমবার, প্রার্থী ঘোষণা করে দিল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরও। যদিও দুই শিবিরের প্রার্থীদের প্রতীক কী হবে, সেটা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। শনিবার, বৈঠকের পর কালীঘাট এবং ঋতব্রত তৃণমূল, দুই শিবিরকেই আলাদা করে চিঠি দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। তাতে আরও কিছু নথির কথা বলা হয়েছে দু-পক্ষকেই।
কিন্তু জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে এখনও রায় দেয়নি কমিশন
কিন্তু এই বিষয়ের নিস্পত্তি কি হবে? এই প্রসঙ্গে উপনির্বাচনের আগে প্রতীক নিয়ে কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন কোনও নির্দেশ দিতে পারে। যদি সেটা না হয়, তাহলে আরও কয়েকটি সম্ভাবনা রয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত কমিশনের তরফ থেকে ফ্রিজ় করে দেওয়া হতে পারে ঘাসফুল প্রতীকটিকে। সেক্ষেত্রে উপনির্বাচনে লড়ার সময়, দুই পক্ষকেই অস্থায়ী নাম এবং প্রতীক নিয়ে লড়তে হবে। আবার যদি ঋতব্রত শিবির ঘাসফুল প্রতীক পেয়ে যায়, তখন কালীঘাট তৃণমূলকে অন্য কোনও প্রতীকে নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে লড়তে হবে। তবে উল্টোটাও হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, রবিবার পর্যন্ত প্রতীক যুদ্ধে এগিয়ে আছে কালীঘাট তৃণমূলই। কমিশনকে নথিপত্র দেওয়ার বিষয়ে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের তুলনায় কালীঘাট তৃণমূলের তুলনামূলকভাবে সুবিধা অনেকটাই বেশি।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

