আস্ত একটা ইটভাটা নাম বদল করে দখলের অভিযোগ তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অস্বীকার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি পাল্টা আইনের পথে যাওয়ার হুঁশিয়ারি জনপ্রতিনিধি। জমি রেজিস্ট্রি ডিট পেপার করে নিয়ে ইটভাটা লিজের টাকা দেওয়ার উপযুক্ত নথি আছে,জমির মালিকের দাবি ভাটা ফিরিয়ে দেওয়া হোক।। 

এবার ইটভাটা দখল করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ দিন ধরেই ইটভাটার নিয়ে তার অর্থ টাকা মালিকপক্ষকে দেয়নি কাউন্সিলর। এমনই অভিযোগ করে পুলিশের দ্বারস্থা মালিকা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর। তাঁর দাবি আইনমোতাবেক তিনি কাজ করেছেন। প্রয়োজনে তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট ১ নম্বর ব্লকের সাকচুড়া বাগমুননি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঁশঝাড়ীগ্রাম ২০০৯ সালে প্রায় ৩০,বিঘের উপরে একটি কেয়া নামকরণ করে ইটভাটা তৈরি হয়েছিল সেরিনা মণ্ডল নাজমা পারভিন মন্ডল আব্দুল সালাম দফাদার নুর আলী দফাদার সহ বেশ কয়েকজন । ভাটা তৈরি করার জন্য জমি আবার কেউ নগদ অর্থ দিয়ে ভাটা চালু করেছিলেন নিজেদের দু'বছর ভাঁটা চালানোর পর নিজেদের মধ্যে গন্ডগোলের জেরে বন্ধ করে দেন । সেই সময় ভাটা শিল্প বাঁচানোর জন্য শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়ে ভাটা চালু করার জন্য ২০১৫-১৬ সালে ভাটাকে পুনরুজ্জীবিত করতে শ্রমিকদের কথা মাথায় রেখে বসিরহাট পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল হাই সিদ্দিকী ওরফে লালটু উদ্যোগ নেন। তিনি দুই পক্ষকে একজায়গায় বসিয়ে একটি বৈঠকও করেন।

বৈঠকের পরে একটি লিখিত দলিল হয়। সেখানে উভয়পক্ষ সম্মতির পর এই ভাটা জমির মালিকদের কাছ থেকে রেজিস্ট্রি করে ভাটা চালু করেন। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তিনি ভাটা চালিয়ে আসছেন। ২০০৯ সালে যারা ভাটা করেছিলেন একাধিক জমির মালিক ভাটার শেয়ার কিনেছিলেন তারা বলছেন চার বছর চালানো বলে আমাদের মধ্যে সমস্যা দেখা দেয় সেই সময়কার ভাটা সমিতির সভাপতি মান্তু ঘোষ সহ একাধিক কর্মকর্তা প্রশাসনিক বৈঠক করার তৃণমূলের দুই নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লিজ দিয়েছিলাম । কিন্তু লিজের বিনিময় তৃণমূল কাউন্সিলর কোনও টাকা তাদের দেয়নি। পাল্টা তাদের ভয় দেখানো হয় । তাদের আরও দাবি তৃণমূল নেতা ইটভাটার নামও পরিবর্তন করে দেয়। নিজের ইচ্ছেমত সেটা চালাতে শুরু করে।

রাজ্যে পালা বদলের পরে নিজেদের ইটভাটা নিজেরাই ফিরে পেতে চাইছে মালিকপক্ষ। তাদের কথায় , ' আমাদের ভাটা ফিরিয়ে দেওয়া হোক।' এই নিয়ে আমরা বসিরহাট পুলিশ সুপারের বসিরহাট মহাকুমা শাসকের দপ্তরে বসিরহাট থানার আইসি এমনকি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা শাসক রাজস্ব ভূমি ও ভূমি দপ্তর কেউ লিখিতভাবে আবেদন করেছেন। যদিও তৃণমূলের কাউন্সিলর আব্দুল হাই সিদ্দিকী ওর উপর লালটু বলেন সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন বিষয় এটা। তিনি বলেছেন, আইন আইনের পথে চলুক নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। তিনি আরও বলেছেন, তিনি জমি রেজিস্ট্রি করে নিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, লিজ বাদব প্রত্যেক মালিককে যে টাকা তিনি মাসে মাসে দেন, তার ক্যাসমেমোও রয়েছে তাঁর কাছে।