স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের মতামত না নিয়ে বাইরে থেকে নেতারা একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে। যার অভিযোগ নতুন করে ভগবানগোলা ব্লকে তৃণমূল সভাপতি ও যুব তৃণমূল সভাপতির নিয়োগেরর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাল এলাকার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরাই।সেইমতো  ভগবানগোলা ব্লকে আটটি অঞ্চলের অসংখ্য তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থক একত্রিত হয়ে দলীয় কার্যালয় থেকে বাজার পরিক্রমা করার মধ্যে দিয়ে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের একাংশের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে  সোচ্চার হোন। 

ইতিমধ্যেই ভগবানগোলা ব্লকের তৃণমূল ব্লক যুব সভাপতি হিসেবে পেশায় স্কুল শিক্ষক বহিরাগত নগর এলাকার বাসিন্দা আহাসানুর রহমান বাপন-এর নাম সম্ভাব্য তালিকার প্রথমে রয়েছে। আর এতেই চরম চটেছেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। এখানেই শেষ নয়, তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তিনি আইপিএল বেটিং চক্রের সঙ্গে  জড়িত রয়েছেন এবং দলীয় ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে দিনের-পর-দিন মাসের-পর-মাস বিদ্যালয় না গিয়েও বেতন তোলেন বলে অভিযোগ। 

পাশাপাশি ব্লক সভাপতি হিসেবে সম্ভাব্য তালিকায় থাকা  সালাম মণ্ডল এর বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে ।তিনিও আদতে বহিরাগত দৌলতাবাদ এলাকার বাসিন্দা বর্তমানে মহিসাস্থালি এলাকায় বাড়ি তৈরি করে থাকতে শুরু করেছেন। ইতিপূর্বে গত লোকসভা নির্বাচনে খোদ তৃণমূলের মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী বর্তমান সাংসদ তথা জেলা সভাপতি আবু তাহের খানের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের হয়ে প্রচারও চালিয়ে ছিলেন দিব্যি এলাকাজুড়ে।আর এই যাবতীয় ঘটনায় এদিন বিক্ষোভ প্রদর্শন করে স্থানীয় তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা অভিযোগের আঙুল তোলেন তৃণমূলের জেলা কডিনেটর এর দায়িত্বে থাকা সৌমিক হোসেন এর দিকে।

আদতে তিনি স্থানীয় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের কোনওরকম মতামত কিংবা পরামর্শ না নিয়েই একতরফা ভাবে নিজে সিদ্ধান্ত নিয়ে বহিরাগত এই দু'জনকে ভগবানগোলা তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ও যুব তৃণমূল ব্লক সভাপতি পদে বসাতে চাইছেন।আর এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে খোদ তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা এলাকায় মিছিলের মধ্য দিয়ে তাদের ক্ষোভ উগরে দেয়।

এক্ষেত্রে বিক্ষোভকারীদের একাংশের মুখে প্রাক্তন ভগবানগোলা ব্লক তৃণমূল সভাপতি তারিফ মহলদার এর নাম পুনরায় সভাপতি পদের জন্য শোনা যাচ্ছে।তবে দলের জেলা সভাপতি আবু তাহের খান বলেন , “ ব্লক গঠন নিয়ে দল এখনও পর্যালোচনার মধ্যে আছে । ফলে এখনই যারা এই ব্যাপারে বিক্ষোভ কিংবা মিছিল করছেন তারা ঠিক কাজ করছেন না ।”