কার হাত দিয়ে রাবণ বধ হবে, তা নিয়ে উত্তেজনা ছিল বহুদিন। অবশেষে জল্পনার সমাপ্তি। দিলীপ ঘোষের খড়গপুর তালুকে দশেরায় রাবণ বধ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। যা ঘিরে দিনভর রইল রাজতনৈতিক চর্চা। 

উৎসবকে ঘিরে লেগে গেল রাজনীতির রং।  এবারও খড়্গপুর শহরের রাবণবধের উৎসব তথা দশেরাতে উদ্বোধক শুভেন্দু অধিকারী ৷ খড়্গপুর শহরে মঙ্গলবার সন্ধায় এই উৎসবের উদ্বোধন করেন শুভেন্দু অধিকারী ৷ যেখানে হাজির ছিলেন জনপ্রতিনিধি সহ জেলাশাসক,পুলিশ সুপারও৷ তবে দিলীপ ঘোষের খাসতালুকে শুভেন্দুর আধিপত্যে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। তবে কি খড়গপুরে মাটি হারাচ্ছেন দিলীপ।
  
মঙ্গলবার খড়্গপুর শহরের গেটবাজার সংলগ্ন রাবণপোড়া মাঠে এবারও দশেরা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল ৷ দশেরা উৎসব কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান এবারও ঘটা করেই করা হয়েছিল মঙ্গলবার বিকেলে ৷ যেখানে উৎসবের এবারও উদ্বোধক ছিলেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ৷ উপস্থিত ছিলেন,জেলা শাসক রেশমী কমল, পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার , সহ সভাধিপতি অজিত মাইতি, খড়্গপুর পৌরসভার পুরপ্রধান প্রদীপ সরকার  প্রমুখেরা ৷ উৎসবের উদ্বোধন করে রাবণের মূর্তিতে তির ছুড়ে আগুন জ্বালান শুভেন্দু অধিকারী ৷ তবে এবারও ব্রাত্য ছিলেন বিজেপির স্থানীয় সাংসদ তথা প্রাক্তন বিধায়ক দিলীপ ঘোষ ৷ দিলীপ ঘোষ বিধায়ক নির্বাচনের পর কখনও এই জনপ্রিয় অনুষ্ঠানটিতে আমন্ত্রণ করা হয়নি ৷ কয়েক হাজার মানুষের মানুষের ভিড়ে পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল শাসকদলের দখলে ৷ ১৯২৫ সাল থেকে এই উৎসব আয়োজিত হয়ে আসছে রাবণপোড়া মাঠে ৷ এবার ৫৫ ফুট উচ্চতার রাবণ মূর্তির সঙ্গে মেঘনাদ ও কুম্ভকর্ণের মূর্তিও গড়া হয়েছিল ৷  উদ্যোক্তা কমিটি জানিয়েছে, এবার এই উৎসবের বাজেট ছিল ৭ লক্ষ টাকা ৷

অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এখানে হিন্দু মুসলিম সহ সকলেই সামিল হয়েছেন ৷ খড়্গপুর শহরকে মিনি ইন্ডিয়া বলার পিছনে যাঁরা থাকেন,তাঁরা সকলেই হাজির হয়ে অনুষ্ঠানকে সফল করেছেন ৷  অশুভ শক্তির নাশ হল অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে । পরের বছর আরও ভালো হবে আশা রাখছি ৷ এবিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি সমিত দাস বলেন,এটা মূলত ব্যবসায়ীদের একাংশের উদ্যোগে আয়োজিত। ওনারা কখনোই দিলীপ বাবুকে আমন্ত্রণ করেননি ৷ এটার সঙ্গে রাজনৈতিক যোগ না দেখাই ভালো ৷ 


--