- Home
- West Bengal
- Kolkata
- Kalyan Banerjee: ভোটের মুখে মুখ্যসচিব-স্বরাষ্ট্র সচিব বদলি নিয়ে সরব কল্যাণ, কমিশনকে তীব্র আক্রমণ
Kalyan Banerjee: ভোটের মুখে মুখ্যসচিব-স্বরাষ্ট্র সচিব বদলি নিয়ে সরব কল্যাণ, কমিশনকে তীব্র আক্রমণ
Kalyan Banerjee On Election Commission: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই সরকারে একের পর এক পদস্থ কর্তার বদলি। বিপর্যয় ঘটলে রাজ্য সামলাবে কে? কমিশনকে বিঁধে তোপ কল্যাণ বন্দ্যেপাধ্যায়ের। বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…

কলকাতা হাইকোর্টে কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা
বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই রাজ্যে নজিরবিহীন ভাবে বদলি করা হয়েছে একের পর এক পদস্থ পুলিশ কর্তা, আইএস অফিসার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার। এই বদলির তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী। স্বরাষ্ট্র সচিব। যা নিয়ে আগেই সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশন ও বিজেপিকে তোপ দেগেছেন তিনি। এবার পাল্টা কমিশনকে আক্রমণের ঝাঁজ আরও বাড়ালেন তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
কলকাতা হাইকোর্টে কমিশনকে তোপ
রাজ্যের আধিকারিকদের অপসারণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলার শুনানিতে তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘’৬৩ জন পুলিশ অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরানো হয়েছে ১৬ জন আইএএস অফিসারকেও। এছাড়াও ১৩ জন পুলিশ সুপারকে সরানো হয়েছে। অনেককেই দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।''
আদালতে আশঙ্কা প্রকাশ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের
এই অবস্থায় আদালতে তাঁর আশঙ্কা, ‘’সমস্ত অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যদি কোনও বিপর্যয় হয়। তাহলে কে সামলাবে?'' এই অবস্থায় আদালতে তাঁর আশঙ্কা, ‘’সমস্ত অফিসারকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যদি কোনও বিপর্যয় হয়। তাহলে কে সামলাবে?''
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি
সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, ”নির্বাচনের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রসচিব যুক্ত নন। অন্য রাজ্যে জগদীশপ্রসাদ মীনাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকী মুখ্যসচিবকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
কী বলছে নির্বাচন কমিশন?
নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য যেমন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করা, তেমনই রাজ্য সরকারের পক্ষেও তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, পুলিশ সুপার, কমিশনারসহ বিভিন্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তবে সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের তরফে একাধিক জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার এবং অন্যান্য শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকদের ধারাবাহিক বদলি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

