- Home
- West Bengal
- TMC: বিধানসভার পর এবার সংসদীয় দলেও ভাঙন! মমতার হাতছাড়া হবে জোড়াফুল ও পার্টি ফান্ড? জানুন আসল আইন
TMC: বিধানসভার পর এবার সংসদীয় দলেও ভাঙন! মমতার হাতছাড়া হবে জোড়াফুল ও পার্টি ফান্ড? জানুন আসল আইন
TMC Vs TMC: বিধানসভার পর এবার তৃণমূলের সংসদীয় দলেও ভাঙনের জল্পনা রাজনৈতিক মহলে জোরদার হয়েছে। দল ভাঙলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস কি নির্বাচনী প্রতীক, দলীয় তহবিল বা দলের নাম হারাতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিপর্যস্ত তৃণমূল কংগ্রেস
বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর বিপর্যস্ত তৃণমূল কংগ্রেস। একের এক এক নেতারা বর্তমানে পুলিশের জালে। যারা বাইরে আছে তাদের অধিকাংশই বিদ্রোহী। ঘরেবাইরে রীতিমত বিপর্যস্ত দশা তৃণমূল কংগ্রেসের।

বিধানসভার পরে এবার ভাঙন লোকসভায়!
বিধানসভায় আগেই বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। কিন্তু এবার লোকসভাতেও বিদ্রোহ ঘোষণা করতে পারে একদল তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ। আগেই উল্টোসুর শোনা গিয়েছিল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের গলায়। কিন্তু এবার আরও কয়েকজন সাংসদ বেসুরো হতে পারে বলে গুঞ্জন।
কী হবে?
প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন দুই বিধায়ক ঋতব্রত আর সন্দীপন। তৃণমূল কংগ্রেস সাসপেন্ড করেছিল। কিন্তু ঋতব্রতদের পক্ষে দলের এক তৃতীয়াংশ বিধায়কের সমর্থন থাকায় ঋতব্রতদের দলত্যাগ বিরোধী আইনে ফেলা যায়নি। তেমনই হতে সাংসদদের ক্ষেত্রেও। যা নিয়ে উত্তেজনার পারদ ক্রমশই বাড়ছে কালীঘাটের অন্দরে।
প্রতীক হাতছাড়া!
বিধায়কদের পর এবার যদি সাংসদরাও মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে তাহলে কী হবে? বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই কালীঘাটের প্রতি তৃণমূল নেতা কর্মীদের অসন্তোষ ধীরে ধীরে বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আস্থাও। এই পরিস্থিতিতে দলের প্রতীক আর নাম সঙ্গে তহবিলও হাতছাড়া হতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
মমতার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী?
দলের নাম, প্রতীক আর তহবিলের চাবির মালিকানা যদি হাতছাড়া হয়ে যায় তাহলবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অস্তিত্বহীন হয়ে পড়তে পারে। ঋতব্রতদের সঙ্গে কাকলিরা হাত মেলালেই দলের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে যেতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে। কী বলেছে নিয়ম?
নির্বাচন কমিশনে আবেদন
শুধু সংসদীয় ও পরিষদীয় দলে ভাঙন ধরালেই চলবে না। সত্যিকারের তৃণমূল হিসেবে নিজেদের দাবিতে সিলমহর লাগাতে হলে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করতে হবে ঋতব্রতদের। নির্বাচন কমিশনের সচিবের কাছে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
নথি কমিশনে জমা
কিসের ভিত্তিতে আবেদন করা হয়েছে- লিখিত সমর্থনের চিঠি , প্রমাণ নথি হিসেবে জমা দিতে হবে কমিশনের অফিসে। তবে এক্ষেত্রে বিধানসভা আর লোকসভার সদস্যদের সমর্থনই শেষ কথা নয়, দলের সব বিধায়ক ও সাংসদদের পাশাপাশি দলের বিভিন্ন সংগঠনের পদাধিকারীদের মতামতও জানাতে হবে কমিশনকে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
প্রতীক কার?
যে পক্ষের হাতে বেশি সাংসদ-বিধায়ক, দলীয় পদাধিকারীদের সমর্থন থাকবে তারা দলের আসল নাম-প্রতীক ও তহবিলের চাবি পাবে। অন্য পক্ষকে নতুন দল হিসেবে রেজিস্ট্রার করার সুযোগ দেবে কমিশন।
নতুন নাম আর প্রতীক
কোন শিবিরের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা, সেটা নির্ধারণ করা সম্ভব না হয় তাহলে কমিশন মূল দলের প্রতীক এবং নাম ফ্রিজ করে দেয়। দুই শিবিরকেই বলা হয় নতুন নাম এবং প্রতীক নিয়ে রাজনীতি করতে। দলের তহবিল ভাগ করে দেওয়া হয় আনুপাতিক হারে।
তৃণমূলের ক্ষেত্রে কী হবে?
এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে তৃণমলের পরিষদীয় দলে নতুনরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। আগামী দিনে সংসদীয় দলেও সেটাই হতে চলছে। তবে বিপদ অন্য জায়গায়
মমতার পাল্টা উদ্যোগ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার দলের সব কমিটি ভেঙে দিয়েছেন। ফলে দলের সাংগঠনিক কাঠামোতে কারা সংখ্যাগরিষ্ঠ সেটা বোঝার উপায় নেই। সেক্ষেত্রে লড়াই যদি কমিশনে যায়, তাহলে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে ঋতব্রত কাকলিরা।
তবে কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতেও যাওয়ার রাস্তা খোলা থাকবে।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.

