ডেঙ্গু প্রাণ কাড়ল আরও এক শিশুর। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হল বছর পাঁচেকের এক শিশুকন্যার। ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ডেঙ্গুর উল্লেখ রয়েছে।  শ্রীরামপুরের বাসিন্দা সুনিধি শর্মা কয়েকদিন ধরেই জ্বরে ভুগছিল। স্থানীয় চিকিৎসায় কাজ না হওয়ায় তাকে কলকাতায় আনা হয়েছিল। তবে শেষরক্ষা হল না। 

সোমবারও ডেঙ্গুর বলি হয়েছিল এক শিশু। পার্ক সার্কাসের এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছিল বছর তিনেকের অহর্ষি ধরের। কয়েকদিন ধরে অহর্ষিও জ্বরে ভুগছিল। লেকটাউনের সম্ভ্রান্ত এলাকার বাসিন্দা অহর্ষির মৃত্যু নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালকে  কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর চেষ্টা হলেও মৃত্যু পিছনে ডেঙ্গু বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। 

শীত দোড়গোড়ায় এসে পড়লেও ডেঙ্গুর আক্রমণ থেকে রেহাই মিলছে না। পুজোর পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ডেঙ্গুর থাবায় ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ডেঙ্গু নিধনে রাজ্য প্রশাসন ও পুরসভাগুলি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলও তা সত্ত্বেও কমানো যাচ্ছে না ডেঙ্গুর দাপট। এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু মোকাবিলায় পড়ুয়াদেপ মশারি দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা সংসদ। 

ডেঙ্গু থাবা বসিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতেও। এদিকে এই জেলা জুড়ে প্রাথমিক ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। জেলাজুড়ে প্রায় দশ হাজারেরও বেশি প্রতিযোগী অংশ নেবে এই প্রতিযোগিতায়। ডেঙ্গু মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়াতে এবার জেলা স্তরের প্রতিটি অংশগ্রহণকারীর হাতে একটি করে মশারি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ।