জল্পনার অবসান। তৃতীয় দফায় লকডাউনের মাঝেই সরকারি বাস পরিষেবা চালু হল 'গ্রিনজোন' উত্তর দিনাজপুরে। রায়গঞ্জ ডিপো থেকে আপাতত ৪টি রুটে চলবে বাস। তবে কুড়ি জনের বেশি যাত্রী বাসে উঠতে পারবেন না। 

আরও পড়ুন: বিশাখাপত্তনম থেকে উত্তরবঙ্গ, হেঁটে বাড়ি ফিরতে গিয়ে অসুস্থ দুই অন্তঃস্বত্ত্বা

করোনার আতঙ্ক, লকডাউনে দুর্ভোগও তো বাড়ছে আমজনতার। তৃতীয় দফায় এ রাজ্যে গ্রিনজোনে বেসরকারি বাস চালানোর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু করোনা সতর্কতায় পরিবহণে বিধি নিষেধ লাগু করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব তো বজায় রাখতে হবেই, বেসরকারি বাসে কুড়ি জনের বেশি যাত্রীও নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তাতেই বেঁকে বসেছেন বাস মালিকেরা।  তাঁদের বক্তব্য, লকডাউনের জেরে এমনিতেই ব্যবসা লাঠে উঠেছে। সরকারি নিয়ম মেনে বাস চালাতে গেলে লোকসান আরও বেশি হবে। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে সরকারকে অধিগ্রহণ করে বাস রাস্তায় নামানোর প্রস্তাব দিয়েছেন উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ মোটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। পরিবহণ ব্যবস্থা কি আদৌ সচল হবে? বাড়ছিল অনিশ্চয়তা। 

আরও পড়ুন: অবশেষে কেরল থেকে মুর্শিদাবাদে, ঘরে পৌঁছল পরিযায়ী শ্রমিকের দল

আরও পড়ুন: 'খাবার ও পানীয় জল নেই', ট্রেন থামিয়ে বিক্ষোভ ভিনরাজ্য়ের পরিযায়ী শ্রমিকদের

শুক্রবার ভোরে রায়গঞ্জ ডিপো থেকে বৈদরা, ডালখোলা,ফতেপুর ও বিন্দোল পর্যন্ত বাস পরিষেবা চালু করে দিল উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থা। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে ধাপে ধাপে রুটের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। যাঁরা কাজে যোগ দিলেন, সেই চালক ও কর্মীদের হাতে পিপিই-ও তুলে দেওয়া হয় পরিবহণ দপ্তরের তরফে।  কিছুটা হলেও স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ।

উল্লেখ্য, করোনা মোকাবিলায় গোটা দেশকে গ্রিনজোন(কেউ সংক্রমিত হননি), অরেঞ্জ জোন(সংক্রমণ তুলনামূলকভাবে কম) আর রেডজোনে (সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি) ভাগ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের হদিশ মেলেনি, উত্তর দিনাজপুর জেলা 'গ্রিন জোন'।