বিপত্তি যে ঘটেনি, তা তো নয়। নেহাত পুলিশের তৎপরতা দেখিয়েছিল, তাই বড় কোনও অঘটন ঘটেনি। বিশাখাপত্তনমে গ্যাস দুর্ঘটনায় আতঙ্ক ছড়াল শিল্পশহর হলদিয়াতেও।

আরও পড়ুন: করোনা সংকটের মাঝেই হনুমানদের মৃত্য়ু, আতঙ্ক ছড়াল বাগনানের গ্রামে

তখন বৃহস্পতিবার ভোররাত। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম শহরের নায়ডু থোটা এলাকার একটি রাসায়নিক কারখানা থেকে আচমকাই বিষাক্ত গ্যাস লিক করতে শুরু করে। আর সেই গ্যাস দ্রুত বাইরের বাতাসের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ঘটে বিপর্যয়।  মাথা ব্যাথা, বমি ভাব ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা শুরু হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে কয়েকশোরও বেশি মানুষ। কারখানা লাগোয়া এলাকা খালি করে দিয়েছে পুলিশ, সতর্কতা জারি করা হয়েছে গ্রেটার বিশাখাপত্তনম মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের তরফে।  লকডাউনের মাঝে কীভাবে গ্যাস লিক করল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কে মিলল না অ্যাম্বুল্যান্স, বেঘোরে প্রাণ গেল শিশুর

এ রাজ্যের হলদিয়ায় কল-কারখানার সংখ্যা কম নয়। শুধু তাই নয়, হলদিয়া শিল্পসংস্থা অধীনস্থ বেশ কয়েকটি কারখানায় আবার রাসায়নিক ও গ্যাসও ব্যবহার করা হয় বলে জানা দিয়েছে। লকডাউনের জেরে এখন অবশ্য সমস্ত কারখানায় উৎপাদন বন্ধ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মাঝে মধ্যেই যখন কারখানা থেকে গ্যাস ছাড়া হয়, তখন আশেপাশে এলাকায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। কয়েক মাস আগে একটি কারখানা থেকে গ্যাস লিকের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল এলাকায়। অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বেশ কয়েকজন। সেবার পুলিশের তৎপরতায় বড় কোনও অঘটন ঘটেনি। লকডাউনের বাজারে বন্ধ কারখানায় যদি দুর্ঘটনা ঘটে, তাহলে কি হবে? আতঙ্কিত শহরবাসী। বিশাখাপত্তনমের ঘটনার পর শহরের সমস্ত শিল্পসংস্থাকে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক।