ফের করোনা নিয়ে গুজব ছড়াল রাজ্যে। এবার উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে। দু'জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার নেপথ্যে আর কেউ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকারি নির্দেশ মেনে পথচারীরা মাস্ক পরছেন তো? রায়গঞ্জে অভিযান চালালেন মহকুমাশাসক। 

আরও পড়ুন: করোনা ত্রাণেও 'রাজনীতি', ছবি বিতর্কে জড়ালেন রায়গঞ্জের কংগ্রেস বিধায়ক

করোনা সংক্রমণ রুখতে কি ইঞ্জেকশন দেওয়া হচ্ছে? গুজবে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ ও আশেপাশের এলাকায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন অনেকেই। জানা গিয়েছে, এক সপ্তাহ ধরে 'করোনার ইঞ্জেকশন' নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ইঞ্জেশন নেওয়ার জন্য টাকাও দাবি করছিল অভিযুক্তেরা। ভয় দেখানো হচ্ছিল, যদি কেউ ইঞ্জেকশন না নেন, তাহলে তিনি করোনা সংক্রমিত হবেন। কী ব্যাপার? ঘটনার তদন্তে নামে কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় দু'জন যুবককে।  পুলিশ সূত্রে  খবর, ধৃতের একজনের নাম ফকির মহলদার, আর একজন পবিত্র বর্মন। ফকিরের বাড়ি কালিয়াগঞ্জে শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে, রশিদপুরে। আর পবিত্র ধনকৈল পঞ্চায়েতের বালাস গ্রামের বাসিন্দা। ধৃতদের অবশ্য ৫০০ টাকার বন্ডে জামিন দিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন: সন্ধে নামতেই 'করোনা বৃষ্টি'-তে ছড়াল আতঙ্ক, পুরুলিয়ায় এই ঘটনার পিছনে আসল সত্য কী

আরও পড়ুন: মাস্ক পরেই মালাবদল, লকডাউনে অভিনব বিয়ের আসর খড়গপুরে

এদিকে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বাইরে বেরোলেই মাস্ক ব্যবহার করা বা মুখ ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক বলে ঘোষণা করেছে সরকার। সরকারি নির্দেশ কার্যকর করতে শুক্রবার রায়গঞ্জ শহরে পথে নামেন খোদ মহকুমাশাসক। মাস্ক না পরার অপরাধে এক ব্যক্তিকে পুলিশের হাতেও তুলে দেন তিনি। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।