ধূপগুড়ি গ্রামীণ ব্লক INTTUC-র সভাপতি তথা ঝাড় আলতা-২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বীরেন রায়ের একটি বিতর্কিত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে গেছে রাজনৈতিক মহলে। যা নিয়ে উত্তাল ধূপগুড়ি।
ধূপগুড়ি তৃণমূলের অন্দরের কোন্দল এবার চরম পর্যায়ে। ইতিমধ্যেই তা স্থান করে নিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ধূপগুড়ি গ্রামীণ ব্লক INTTUC-র সভাপতি তথা ঝাড় আলতা-২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বীরেন রায়ের একটি বিতর্কিত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে গেছে রাজনৈতিক মহলে।
ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক রাজেশ কুমার সিং-এর কার্যালয়ে বসে একদল নেতার মাঝে ধূপগুড়ির বিধায়ক অধ্যাপক নির্মল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন বীরেন রায়। শুধু তাই নয়, চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে তাকে বলতে শোনা যায় যে, প্রয়োজনে তৃণমূল ছেড়ে তিনি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন KLO-তে যোগ দেবেন। ধূ পগুড়ি বিধায়কের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সরব হয়েছেন। বীরেন রায়ের এই মন্তব্য সেই বিরোধকেই নতুন করে উসকে দিল।
ভিডিওটি ঘিরে বিতর্ক শুরু হতেই বীরেন রায়ের দাবি, এটি একটি একান্ত ব্যক্তিগত আলোচনা ছিল। তার অভিযোগ, দলেরই কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে অপদস্ত করতে ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধূপগুড়ির রাজনৈতিক মহলে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দল।
ভোটের আগে এজাতীয় ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই তৃণমূলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। আর সেই ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস নেমে পড়েছে বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও দলের পক্ষ থেকে এই ভিডিও নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য কেই করেনি। তবে তৃণমূলের স্থানীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে এই বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।


