Vijaya Dashami2026: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের টাকির ইছামতীতে শুরু প্রতিমা নিরঞ্জন প্রক্রিয়া। নিরাপত্তায় কড়া নজরদারি প্রশাসনের। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নদীপথে স্পিডবোটে টহল, সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে গোটা এলাকা, মোতায়েন পুলিশ ও বিএসএফ। আরও জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।
Vijaya Dashami2026: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ঐতিহ্যবাহী টাকি শহরের ইছামতি নদীতে শুরু হল প্রতিমা নিরঞ্জন। বিজয়া দশমীকে কেন্দ্র করে বুধবার সকাল থেকেই নদীর দুই পাড়ে উৎসবের আবহ। প্রতিমা নিরঞ্জন দেখতে টাকি ও সংলগ্ন এলাকায় ভিড় জমিয়েছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি দেশের নানা জায়গা থেকেও পর্যটকেরা হাজির হয়েছেন টাকির ইছামতি নদীর এই ঐতিহ্যবাহী বিসর্জন দেখতে।
টাকির ইচ্ছামতীতে ভারত-বাংলাদেশের দুর্গা প্রতিমা নিরঞ্জন:-
টাকির ঐতিহ্যবাহী পুবের বাড়ি তথা রাজবাড়ির প্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিসর্জন পর্ব। এরপর একে একে অন্যান্য পুজো কমিটির প্রতিমাও নিরঞ্জন করা হয় ইছামতির জলে। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনে এই প্রতিমা নিরঞ্জন ঘিরে প্রতিবছরই উৎসাহ দেখা যায় দর্শনার্থীদের মধ্যে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ইছামতি নদীকে ঘিরে এই বিসর্জন উৎসব টাকির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
তবে উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়টিতেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে প্রশাসন। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গোটা এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নজরদারি। নদীপথে স্পিডবোট-সহ বিভিন্ন জলযানের মাধ্যমে চলছে টহলদারি। পাশাপাশি, নদী ও সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন রয়েছেন রাজ্য পুলিশের কর্মী এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের জওয়ানেরা।
নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। নদীপথ থেকে স্থলভাগ—সব দিকেই নজর রাখছেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকেরা। বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগমের কথা মাথায় রেখে সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।
ইছামতি নদীর একদিকে ভারত, অন্যদিকে বাংলাদেশ। দুই দেশের সীমান্তবর্তী এই নদীকে ঘিরে টাকির প্রতিমা নিরঞ্জন প্রতিবছরই বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করে। ঐতিহ্য, উৎসব ও সীমান্তের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এই বিসর্জন দেখতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসেন।
সব মিলিয়ে, টাকির ইছামতি নদীতে প্রতিমা নিরঞ্জনকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে, তেমনই অন্যদিকে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সর্বদা সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।









