হাতির হামলাতে ধানের পরে আলুর জমিতে ক্ষতি শুরু হয়ে গিয়েছিল৷ মেদিনীপুর সদর ব্লকের মণিদহ, কনকাবতী সহ চাঁদড়া রেঞ্জের অন্তর্গত পাশাপাশি চাষ যোগ্য জমিতে দলমা থেকে আগত হাতির পাল ব্যাপক ক্ষতি শুরু করেছে তিনদিন ধরে ৷ আতঙ্কে কাঁচা আলুকেই তুলতে শুরু করেছেন অনেক চাষী৷ যারা ক্ষতিগ্রস্ত জমিকেই মেরামত করে ভালো ফসলের অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু তাদের অভিযোগ, অসময়ের বৃষ্টিই শেষ অবধি  তাদের সমস্য়ার কারণ হয়ে দাড়াল।

আরও পড়ুন, ঠান্ডা থেকে বাঁচতে গিয়ে ঘটল বিপর্যয়, বেঘোরে মত্যু দশ বছরের বালকের


মেদিনীপুর সদর ব্লক ও শালবনীতে তিনদিন ধরে হাতির পালের দ্বারা আলু ও সব্জির জমিতে ক্ষতি শুরু হয়ে গিয়েছে ৷ বিঘের পর বিঘে আলুর জমিকে মেড়ে খেয়ে নিচ্ছে হাতির পাল ৷ পরিস্থিতি দেখে কৃষকেরা হাতির দ্বারা কমবেশি ক্ষতি জমি গুলি থেকে কাঁচা ও ছোটো আলুকেই তুলে নিতে শুরু করেছেন ৷ অনেকেই যাদের আলুর গাছ ছোটো ছিল, তাদের হাতির দ্বারা কম ক্ষতি হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত অংশটুকু মেরামত করে উদ্ধার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন তাদের জন্য  এই বৃষ্টি বাকি ক্ষতি শুরু করে দিল ৷ 

আরও পড়ুন, বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্য়ে, পাহাড়েও হতে পারে তুষারপাত

মণিদহ পঞ্চায়েত উপপ্রধান অঞ্জন বেরা বলেন,হাতি সমস্ত জমিতে কম বেশি ক্ষতি করেছিল। তার উপর হাতির ভারি পায়ের গর্ততে বেশি করে জল জমছে বৃষ্টির ফলে ৷ ফলে চাষীরা চাইলেও সেই জল সহজে জমি থেকে বের করা যাবে না ৷ ফলে দুভাবে ক্ষতির ভয় ৷ একদিকে হাতি, অপর দিকে বৃষ্টির জমা জল ৷   জেলার কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রমাপ্রসাদ গিরি বলেন, জেলাতে হাতির পলে ক্ষতি হয়ে ছিল, সেখানে বনদফতর ক্ষতিপূরন দিচ্ছে । তবে বৃষ্টির ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে , তাই দেখা হচ্ছে পরিস্থিতি ৷    একই ভাবে বৃষ্টির কারনে জেলার চন্দ্রকোনা, গড়বেতা, কেশপুর এলাকাতেও ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে আলু ও সবজিতে ৷