মনোনয়ন বাতিল হল কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার তৃণমূলের প্রার্থী অভিনব ভট্টাচার্যের, তাঁর বদলে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূলের প্রার্থী হলেন সোমনাথ দত্ত। সূত্রের খবর, যেহেতু অভিনব ভট্টাচার্য সরকারের নথিভুক্ত ঠিকাদার এবং এখনও তিনি রাজ্য সরকারি দফতরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রয়েছেন, তাই তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
মনোনয়ন বাতিল হল কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভার তৃণমূলের প্রার্থী অভিনব ভট্টাচার্যের, তাঁর বদলে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূলের প্রার্থী হলেন সোমনাথ দত্ত। সূত্রের খবর, যেহেতু অভিনব ভট্টাচার্য সরকারের নথিভুক্ত ঠিকাদার এবং এখনও তিনি রাজ্য সরকারি দফতরের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রয়েছেন, তাই তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৯-এ ধারায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। মনোনয়ন বাতিলের পর অভিনব জানিয়েছেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তবে দল তাঁর পাশে রয়েছে।
কী কারণে মনোনয়ন বাতিল?
জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৯-এ ধারায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে অভিনব ভট্টাচার্যর। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি যদি সরকারের কোনও কাজে সরাসরি ঠিকাদারিতে যুক্ত থাকেন বা সরকারের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক স্বার্থ জড়িয়ে থাকে, তবে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। সরকারি কাজের বরাত বা সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত থাকা অবস্থায় মনোনয়ন জমা দেওয়া জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের পরিপন্থী।
কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। এবারের নির্বাচনে দল তাঁকে কৃষ্ণনগর উত্তরের মতো একটি হাই-প্রোফাইল কেন্দ্রে প্রার্থী করে বড় চমক দিয়েছিল। পেশাগতভাবে তিনি শিক্ষিত এবং স্পষ্টবক্তা হওয়ার কারণে দলের তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু, দু দিন ধরেই কৃষ্ণনগরের উত্তরের শাসক দলের প্রার্থী নিয়েই ছিল টানাপোড়েন। এমন পরিস্থিতি যে তৈরি হতে পারে সে কথা আঁচ করেই আগেভাগেই বিকল্প প্রার্থীকে দিয়ে মনোনয়ন জমা করিয়ে রেখেছিল তৃণমূল। ওই কেন্দ্রে শাসকদলের তরফে বিকল্প প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ানো হয়েছিল। তাঁর নাম সোমনাথ দত্ত। তিনিই কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা যাচ্ছে।
কৃষ্ণনগরের সাংসদ মধ্য মৈত্র বলেন, ‘একটা টেকনিক্যাল কারণে অভিনব ভট্টাচার্যের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। সোমনাথ দত্তকে দ্বিতীয় মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন। বিকল্প হিসেবে তিনিই কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে লড়াই করবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকাশিপাড়ায় এসে জানিয়েছিলেন, তিনিই সব কেন্দ্রের প্রার্থী। কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহার, কৃষ্ণনগরেও তিনি প্রার্থী। এটা প্রতীক চিহ্নের ভোট। এটা তৃণমূল কংগ্রেসের জোড়াফুলের ভোট।’
এদিকে, এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীকে নিয়েও চাপানউতোর শুরু হয়৷ বিজেপি মনোনীত প্রার্থী তারকনাথ চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে না পেরে নির্দল হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন বিজেপির কর্মী চঞ্চলকুমার বিশ্বাস।

