West Bengal Election News: দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনী আবহে ভোট শান্তিপূর্ণ করাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। এবার আরও পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ কমিশনের। এই বিষয়ে কী বলছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

West Bengal Election News: বুধবার রাজ্যেদ্বিতীয় দফায় তথা বিধানসভা নির্বাচনের শেষদফা রয়েছে। তার আগে কোমর বাঁধছে কমিশন, রাজ্যে আসছেন আরও ১১ পুলিশ পর্যবেক্ষক। সূত্রের খবর, রাজ্যে শিয়রে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। আর এই দফার ভোটগ্রহণ যাতে কোনওভাবেই অশান্ত না হয়, তার জন্য এবার নজিরবিহীন নিরাপত্তার পথে হাঁটছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (National Election Commission)। শান্তি বজায় রাখতে রাজ্যে আরও ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৯ এপ্রিল রাজ্যের দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। এই দফায় স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে কড়া নজরদারি চালাতে দিল্লির নির্দেশে রাজ্যে আসছেন অতিরিক্ত ১১ জন আইপিএস পদমর্যাদার পুলিশ পর্যবেক্ষক।

রাজ্যে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে জোরদার নিরাপত্তা:-

 সূত্রের খবর, এই বিশেষ পর্যবেক্ষকদের নিয়োগের বিষয়ে রাজ্যের নিরাপত্তা অধিকর্তা মনোজ ভার্মা-কে ইতিমধ্যেই চিঠি দিয়েছে কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশের মতো বিভিন্ন রাজ্য থেকে এই অভিজ্ঞ পুলিশ আধিকারিকদের তলব করা হয়েছে। মূলত যে সমস্ত এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বেশি বা অতীতে অশান্তির রেকর্ড রয়েছে, সেই 'স্পেশাল জোন'গুলোর দায়িত্ব সামলাবেন এই আধিকারিকরা।

নিরাপত্তার ব্লু-প্রিন্ট:

শুধু নিয়োগই নয়, এই ভিন রাজ্যের পর্যবেক্ষকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সিইও (CEO) দফতর। এই পর্যবেক্ষকদের জন্য রাজ্যের কাছে ‘পার্সোনাল সিকিওরিটি অফিসার’ বা পিএসও (PSO) চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। লক্ষ্য একটাই—যাতে নির্ভয়ে এবং নিরপেক্ষভাবে তাঁরা নিজেদের কাজ পরিচালনা করতে পারেন।

ভোটের ময়দানে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তেও নারাজ কমিশন। বিশেষ করে বিশেষ বিশেষ এলাকাগুলোতে যাতে ভোটাররা বিনা আতঙ্কে বুথমুখী হতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই বাড়তি ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষকের ‘কবজ’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এখন দেখার, এই কড়া নজরদারিতে দ্বিতীয় দফার ভোট কতটা শান্তিপূর্ণ হয়।

শুধু তাই নয়, প্রথম দফার ভোটে কোথাও নেই 'রি-পোল', স্বস্তিতে কমিশন!

প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গে মোট ৪৪,৩৭৬টি পোলিং স্টেশনে ভোটগ্রহণ করা হয়েছিল। কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই কেন্দ্রগুলির মধ্যে একটিতেও নতুন করে ভোটগ্রহণ বা রি-পোলের (Repoll) কোনো সুপারিশ করা হয়নি। অর্থাৎ, প্রথম দফার ভোট প্রক্রিয়ায় বড় কোনো ত্রুটি বা অনিয়ম নথিভুক্ত হয়নি। ২. অন্যদিকে, দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুতেও চিত্রটা একই। সেখানে মোট ৭৫,০৬৪টি বুথে ভোট নেওয়া হয়েছিল। সেই সমস্ত বুথ থেকেও কোনো রি-পোলের আবেদন বা সুপারিশ জমা পড়েনি।

দুই রাজ্য মিলিয়ে এক লক্ষেরও বেশি বুথে ভোটগ্রহণ হলেও কোথাও নতুন করে ভোটের প্রয়োজন পড়েনি, যা এই দফার নির্বাচনী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।