2026 West Bengal Legislative Assembly election: প্রচণ্ড গরমের মধ্যেই রাজ্যের ১৫২ আসনে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও, ভোটদানের বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। বাংলার যে কোনও নির্বাচনেই ভোটদানের হার বেশি থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।
KNOW
West Bengal Elections 2026: বিক্ষিপ্ত অশান্তি, হিংসা, ইভিএম-এ গোলযোগের অভিযোগ বাদ দিয়ে ভালোভাবেই চলছে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। বিভিন্ন জেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোটদানের বিষয়ে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬২.১৮ শতাংশ। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সর্বাধিক ৬৫.৭৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। মালদা জেলায় সর্বনিম্ন ৫৮.৪৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে সর্বাধিক ৭১.০৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। মালদায় চাঁচল বিধানসভা কেন্দ্রে সবচেয়ে কম ৫৩.৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই হিসেব দুপুর একটা পর্যন্ত। আরও কয়েক ঘণ্টা ধরে ভোটগ্রহণ চলবে। ফলে রাজ্যের ১৫২ আসনেই ভোটদানের হার বাড়তে চলেছে। সন্ধেবেলা ভোটদানের মোট শতাংশের হিসেব পাওয়া যাবে।
কোন জেলায় কত শতাংশ ভোট পড়ল?
দুপুর একটা পর্যন্ত মালদায় ৫৮.৪৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। মুর্শিদাবাদে ৬২.৭১ শতাংশ ভোট পড়েছে। পশ্চিম বর্ধমানে ৬০.৩৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরে ভোটদান ৬৫.৭৭ শতাংশ। পূর্ব মেদিনীপুরে ৬২.৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে। পুরুলিয়ায় ৫৯.৮৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। উত্তর দিনাজপুরে ৬০ শতাংশ ভোট পড়েছে। ঝাড়গ্রামে ৬৫.৩১ শতাংশ ভোট পড়েছে। কালিম্পঙে ভোটদান ৫৯.৫২ শতাংশ। আলিপুরদুয়ারে ৬০.০৩ শতাংশ ভোটদান হয়েছে। বাঁকুড়ায় ৬৪.৫৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। বীরভূমে ৬৩.৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। কোচবিহারে ৬০.৭৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬৩.০৫ শতাংশ ভোটদান হয়েছে। দার্জিলিঙে ৫৯.৮১ শতাংশ ভোট পড়েছে। জলপাইগুড়িতে ভোটদান ৬০.৮৪ শতাংশ।
প্রথমবার ভোটদান বৃহন্নলাদের
বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়িতে বৃহন্নলা সম্প্রদায়ের সাতজন প্রতিনিধি এবার প্রথমবার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন। ধূপগুড়ি পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২০৪ নম্বর বুথে এই দৃশ্য গণতন্ত্রের এক অনন্য মুহূর্ত তৈরি করেছে। সকাল থেকেই বুথের লাইনে সাধারণ ভোটারদের ভিড়ে আলাদাভাবে নজর কাড়ছিলেন তাঁরা। আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গি আর উজ্জ্বল মুখে ছিল দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষের আনন্দ। ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসার পর তাঁদের চোখে-মুখে আবেগ ধরা পড়ে। কারও চোখে জল, তো কারও ঠোঁটে জয়ের হাসি। এই দলেরই সদস্য লিজা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, 'এতদিন পরিচয়পত্রই বানাইনি। মনে হত এসব আমাদের জন্য নয়। কিন্তু আজ বুঝলাম আমরাও এই দেশের নাগরিক, আমাদেরও অধিকার আছে। প্রথমবার ভোট দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে।'
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


