2026 West Bengal Legislative Assembly election: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলি যেমন প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে, তেমনই নির্বাচন কমিশনও (Election Commission of India) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। বুধবার জনমত সমীক্ষার (Exit Poll) বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।

DID YOU
KNOW
?
নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু
পশ্চিমবঙ্গ-সহ ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করার পরেই ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

Exit Polls 2026: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (2026 West Bengal Legislative Assembly election) সামনে রেখে জনমত সমীক্ষার ফল প্রকাশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৯ এপ্রিল সকাল সাতটা থেকে ২৯ এপ্রিল সন্ধে সাড়ে ছ'টা পর্যন্ত জনমত সমীক্ষা পরিচালনা, প্রকাশ ও প্রচার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জন প্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ১২৬ এ ধারার অধীনে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে কোনও সংবাদপত্র বা পত্রিকা, বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যম বা অন্য কোনও উপায়ে জনমত সমীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করা যাবে না। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, একাধিক রাজ্যে চলতে থাকা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটারদের উপর কোনও প্রভাব না পড়ে, তা নিশ্চিত করাই এই নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসআইআর নিয়ে স্পষ্ট বার্তা নির্বাচন কমিশনের

এসআইআর-এ (SIR) নাম বাদ যাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন বলেছে, 'জোকায় ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিষয়ে আজকে চিঠি পেয়েছি। আপাতত আট সপ্তাহের জন্য জায়গা দিয়েছে। প্রয়োজনে ওখানে পরবর্তী সময়ে ট্রাইব্যুনালের কাজ চলবে নাকি অন্য জায়গায় হবে সেটা পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ৪৭-৪৮ লক্ষ নিষ্পত্তি হয়েছে। আদালত বলেছে সাত তারিখের মধ্যে সম্পূর্ণ করে দেবে। কিছু মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। আমরা শুধু যেটা আসল ঘটনা সেটা বলতে পারি। নাম বাদ যাওয়ায় হিন্দু মুসলিম বলার কী আছে? যদি কারও নাম বাদ যায় তাহলে সেটার মধ্যে ধর্ম বা জাত খোঁজার কোন‌ও প্রয়োজন আছে কি?'

৬ নম্বর ফর্ম নিয়েও বিভ্রান্তি দূর করল কমিশন

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ২৭ তারিখ পর্যন্ত যে সব ৬ নম্বর ফর্ম জমা হয়েছে শুধুমাত্র সেগুলি খতিয়ে দেখার পর ভোটার তালিকায় নাম উঠতে পারে। তারপর যে সব ৬ নম্বর ফর্ম জমা পড়ছে সেগুলি ভোটার তালিকায় তোলা সম্ভব হবে না। কারণ, একবার নাম উঠলে সেই নামের বিরুদ্ধে যদি কেউ কোন‌ও অভিযোগ জানায় তাহলে সেই অভিযোগের নিষ্পত্তির সময় দিতে হবে। ৬ নম্বর ফর্মের ক্ষেত্রে ১০ দিন সময় দিতে হয় খতিয়ে দেখার জন্য। সোমবারের পর আর নতুন করে কোন‌ও ভোটার তালিকা তৈরি করা হবে না। ফলে সোমবার পর্যন্ত যে সব নাম তালিকায় উঠবে তাঁরাই শুধু ভোট দিতে পারবেন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।