রবিবার মুর্শিদাবাদে পশ্চিমবঙ্গের ক্যাবিনেট মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। তিনি অভিযোগ করেন যে, তৃণমূলের সমস্ত সাংসদ ও বিধায়ক জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত এবং কেউ কেউ টাকার বিনিময়ে সরকারি চাকরিও বিক্রি করেছেন। তিনি আরও বলেন, খুব শীঘ্রই সিবিআই ও ইডি অভিষেক ব্যানার্জি এবং মদন মিত্রের মতো নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

 তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও তীব্র করলেন পশ্চিমবঙ্গের ক্যাবিনেট মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ। রবিবার তিনি বিরোধী দলের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত দুর্নীতির মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন। মুর্শিদাবাদে ANI-এর সঙ্গে কথা বলার সময় ওই মন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, তৃণমূলের সাংসদ ও বিধায়করা ব্যাপক কেলেঙ্কারি করেছেন, যার মধ্যে সরকারি চাকরি অবৈধভাবে বিক্রি করার মতো ঘটনাও রয়েছে। যখন তৃণমূল সাংসদরা মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের হাত ছেড়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সহযোগিতায় নতুন ইন্ডিয়ান সিটিজেন পার্টির অংশ হতে চলেছেন তখনই এই বোমা ফাটালেন বিজেপি নেতা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মন্ত্রীর তোপে তৃণমূল


গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলেন, "তৃণমূলের সব এমপি, এমএলএ এবং অন্যরা জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত; কেউ কেউ তো চাকরিও বিক্রি করেছেন।" মন্ত্রী আরও দাবি করেন যে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি শীঘ্রই বিভিন্ন দুর্নীতি মামলায় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। তিনি যোগ করেন, "সিআইডি, ইডি এবং সিবিআই খুব তাড়াতাড়ি মদন মিত্র এবং অভিষেক ব্যানার্জির মতো নেতাদের দরজায় কড়া নাড়বে। ওঁরা যা করেছেন, তাতে সিবিআই এবং ইডি যে ব্যবস্থা নেবেই, তা অবশ্যম্ভাবী। বাংলার মানুষ এটাই চান। প্রত্যেকের কাজের হিসেব দিতে হবে।"


সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচন এবং নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যে যে রাজনৈতিক উত্তেজনা চলছে, এই মন্তব্যগুলি সেই পরিস্থিতিকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। এর আগে, রবিবার বিদ্রোহী তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায় এবং অন্যরা দলের অন্দরের কোন্দলের আবহে লোকসভায় আলাদা বসার ব্যবস্থার দাবিতে দিল্লিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবনে পৌঁছন। স্পিকারের সঙ্গে দেখা করার আগে, বিদ্রোহী সাংসদরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গেও দেখা করেন। বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ, মালা রায়, শতাব্দী রায়, অরূপ চক্রবর্তী এবং কাকলি ঘোষ দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করেন। একইভাবে, কলকাতাতেও আলোচনা চলে। তৃণমূল নেতা গৌতম দেব এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে পৌঁছন। দল থেকে সাসপেন্ড হওয়া নেতা ঋজু দত্ত বলেন, তাঁদের শিবিরে সাংসদের সংখ্যা ২২ পর্যন্ত হতে পারে। তিনি জানান, তাঁরা বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ-কে সমর্থন করবেন।