AITC MLA Paresh Ram Das: তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, বেআইনি কার্যকলাপের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। এবার ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাসের বিরুদ্ধে বেআইনি নির্মাণ ও অসামাজিক কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

DID YOU
KNOW
?
গ্রেফতার হবেন বিধায়ক?
বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ প্রমাণ হলে ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাসের বৃদ্ধাশ্রম ভেঙে দেওয়া হতে পারে। তাঁকে গ্রেফতার করা হবে কি না স্পষ্ট নয়।

Canning News: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে মাতলা নদীর চরে তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) বিধায়ক পরেশ রাম দাসের তৈরি চাঁদমণি সেবাশ্রম অবৈধ। এই বৃদ্ধাশ্রম বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছে। শুধু বেআইনিভাবে তৈরিই নয়, বৃদ্ধাশ্রমের নামে রিসর্ট তৈরি করা হয়েছে। যেখানে নানা ধরনের অবৈধ কাজকর্ম হয়। এমনই মারাত্মক অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। কীভাবে মাতলা নদীর চরে সরকারি জায়গায় এই বৃদ্ধাশ্রম তৈরি হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। ইতিমধেই এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রশাসনিক মহলে তাঁরা লিখিত অভিযোগও জানিয়েছে বিজেপি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ক্যানিং মহকুমা শাসকের নির্দেশে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর ১৮ জুন বৃদ্ধাশ্রমের কাগজপত্র খতিয়ে দেখার জন্য শুনানির নির্দেশ দিয়েছে। সেই মোতাবেক বৃদ্ধাশ্রমে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই অভিযোগের জেরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

৫ বছর ধরে চলছে 'বেআইনি' বৃদ্ধাশ্রম

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই এই বৃদ্ধাশ্রমের প্রতিষ্ঠা করেন পরেশ। বর্তমানে ২২ জন আবাসিক থাকেন এই চাঁদমণি সেবাশ্রমে। বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের পাঁচশোর বেশি মানুষ প্রতি মাসে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বৃদ্ধাশ্রমে আর্থিক সাহায্য করেন বলে দাবি পরেশের। তবে বিজেপি-র অভিযোগ, বৃদ্ধাশ্রমের নামে এখানে প্রমোদ ভবন তৈরি করা হয়েছে। কয়েকজন বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের এখানে রাখার নামে অনেক অনৈতিক কাজ এখানে করা হয়। বিধায়কের নির্দেশে মাতলা নদীর চর বেআইনিভাবে দখল করে একদিকে যেমন এই বৃদ্ধাশ্রম তৈরি করা হয়েছে, তেমনি এর ঠিক উল্টোদিকে প্লটিং করে নদীর চর বিক্রি করা হয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার বিধায়কের

সরকারি নির্দেশিকা মেনে, আইনিভাবেই এই বৃদ্ধাশ্রম তৈরি হয়েছে বলে দাবি ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশের। তাঁর দাবি, শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্যই এই অভিযোগ করা হচ্ছে। তবে শুধু এই বৃদ্ধাশ্রমেই নয়, উল্টোদিকে নদীর চরে গড়ে ওঠা বাড়িগুলিতেও নোটিশ দেওয়া হয়েছে সরকারিভাবে। সকলকেই ১৮ জুন শুনানিতে হাজির থাকার জন্য বলা হয়েছে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।