হুমায়ুন কবীর বলেন, 'ফুলটাইমের একজন পুলিশমন্ত্রী থাকলে, আমার মনে হয়, তাঁর নজর এড়িয়ে কোনও অপরাধ সংগঠিত হবে না।' 

এখনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিষেক হওয়া প্রয়োজন। লোড কমবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের জন্য জোরালো সওয়াল করলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই বললেন হুমায়ূন কবীর। তিনি আও বলেন, রাজ্যে ফুল টাইম পুলিশমন্ত্রী থাকলে বাংলার মানুষ অনেকটাই নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে যাবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হুমায়ুন কবীর বলেন, 'ফুলটাইমের একজন পুলিশমন্ত্রী থাকলে, আমার মনে হয়, তাঁর নজর এড়িয়ে কোনও অপরাধ সংগঠিত হবে না।' তিনি আরও বলেন, 'অনেক সময় মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত থাকেন, আমরা ইচ্ছে করলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারি না। নিজের আবেদন নিহেদন সময় মনো পৌঁছতে পারি না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অনেকটা দায়িত্ব নিয়ে নিলে বাংলার মানুষ অনেকটা উপকৃত হবেন।' তবে হুমায়ুন কবীর কি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ওপর অনাস্থা প্রকাশ করেছেন? যদিও তিনি বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় যেমন মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন তেমনভাবেই কাজ চালিয়ে যাবেন। যার অর্থ তিনি মমতার ওপর অনাস্থা প্রকাশ করেননি। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় টানা তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী। সাত বারের সাংসদ। তার ওপর যথেষ্ট চাপ রয়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি দলের কাজও তিনি দেখেন। তাই চাপ কমাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপমুখ্যমন্ত্রী করার দাবি তুলেছেন।

এর আগেও হুমায়ুন কবীর অভিষোককে প্রশাসনে নিয়ে আসার জন্য সওয়াল করেছিলেন। সেই সময়ই তিনি অভিষেকরে উপমুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করার জন্য জোরালো সওয়াল করেছিলেন। এবার সেই একই কথা বলেন। যদিও রাজ্যের একের পর এক ঘটনা ঘটছে, যা নিয়ে বিরোধী-সহ রাজ্যের সাধারণ মানুষই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় দলের মধ্যেই অভিষেকের জন্য জোরালো সওয়াল উঠতে শুরু করেছে।

তবে শুধু হুমায়ূন কবীরই নয়, এর আগেও অভিষেককে নবান্নে নিয়ে যাওয়ার জন্য জোরালো সওয়াল হয়েছিল দলের মধ্যে। প্রশাসনের কাজে নিয়ে আসার জন্য সওয়াল করেছিলেন।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।