পানাগড়ে নৃত্যশিল্পী সুকন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং দুটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, সুকন্দ্রার গাড়িকে ধাওয়া করা হয়েছিল।

একের পর এক রহস্য় সামনে আসছে পানাগড়ে গাড়ি দুর্ঘটনা মামলায়। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। এদিকে দুটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দেখা হচ্ছে রাস্তার সিসি টিভি ফুটেজ। এরই মাঝে প্রকাশ্যে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

যে গাড়ি সুতন্দ্রার গাড়ি ধাওয়া করছিল সেটা চালাচ্ছিল বাবলু যাদব। সে পানাগড়ের বাসিন্দা। তার গাড়ির ব্যবসা। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশ বাবলুর বাড়িতে হানা দেয়। কিন্তু, সেখানে কাউকে খুঁজে পায়নি পুলিশ। ১ বছর আগে বাবলুর নাম একটি মামলা হয়েছিল। কী কারণে সুতন্দ্রার গাড়ি ধাওয়া করা হয়েছিল তা জানতে চলছে তদন্ত।

রবিবার রাতে গয়ায় নাচের অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় পানগড়ের কাঁকসায় মর্মান্তিক মৃত্যু হয় নৃত্যশিল্পী সুকন্দ্রা চট্টোপাধ্যায়ের। অভিযোগ, দুর্গাপুরের বুদবুদের একটি পেট্রোল পাম্পে তেল ভরার পর তাদের গাড়িকে ধাওয়া করে একটি সাদা গাড়ি। গাড়িতে কয়েকজব মদ্যপ ছিলেন। সুতন্দ্রাকে নিয়ে কটূক্তি করতে থাকে তারা। এই সময় গাড়ি ধাওয়া করলে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে সুতন্দ্রার গাড়ি। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় শিল্পীর।

আসানসোল দুর্গাপুর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী জানান, দুটি গাড়ির রেষারেষির অভিযোগ এসেছে পুলিশের কাছে। ইভটিজিং বা কটূক্তির কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তরুণীর না এই নিয়ে এই যুক্তি মানতে চাননি। তার কথায়, আমরা বারবার বলছি ঘটনাটা ইভটিজিং। গাড়ির মধ্যে মদের বোতল ও গ্লাস পাওয়া গেছে। যে জ্রাইভার নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি রেষারেষি করার ড্রাইভার নন। প্রতিবার উনিই গাড়ি চালিয়েছ নিয়ে যান আমার মেয়েকে। আমিও ওঁর গাড়িতে করে একাধিকবার ভিন রাজ্যে গিয়েছি। হাইওয়েতে কীভাবে গাড়ি চালাতে হয় উনি জানেন। আমার মেয়ে বাইরে রাজ্যে গিয়ে এতদিন কাজ করছে। সেখানে সে নিরাপদ ছিল। কিন্তু, এখানে এমন ঘটনা ঘটল। 

বর্তমানে চলছে ঘটনার তদন্ত। একের পর এক তথ্য সামনে আসছে এই দুর্ঘটনার।