MLA Nirmal Chandra Roy: ধূপগুড়ির (Dhupguri) বিধায়ক নির্মল চন্দ্র রায় এবারের বিধানসভা নির্বাচনেও প্রার্থী হতে পারেন বলে শাসক দলের অন্দরে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু দলের একাংশেরই ক্ষোভের মুখে পড়েছেন বিধায়ক।

DID YOU
KNOW
?
ফের প্রার্থী হবেন নির্মল?
ধূপগুড়িতে যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে, তাতে বিধায়ক নির্মল চন্দ্র রায় ফের প্রার্থী হবেন কি না, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে।

Dhupguri MLA Nirmal Chandra Roy: 'আমার এমএলএ ভাবছে, আমি ক্ষমতায়, আমি যা বলব সেটাই শেষ কথা। কিন্তু সেটা শেষ কথা নয়। শেষ কথা বলবে আমাদের মা-বোনেরা, কর্মীরা। আপনারা বুক চিতিয়ে সিপিএম-এর (CPIM) বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। বিজেপি-র (BJP) বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। এমএলএ-কে জিতিয়ে এনেছিলেন। তারপর তিনি নিজেকে ভাবছেন কোচবিহারের রাজা নৃপেন্দ্র নারায়ণ। আমার মনে হয়, একটা কর্মীও এই অপদার্থ এমএলএ-র কাছ থেকে কোনও সহযোগিতা পায়নি। আমরা তাকেই চাই, যে মাটির মানুষ ভূমিপুত্র। তাকেই চাই যে মানুষের পাশে থেকে কর্মীদের মর্যাদা দিতে পারবে। যে কর্মীদের সম্মান দিতে পারবে।' ঠিক এই ভাষাতেই ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মল চন্দ্র রায়কে আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) জয় হিন্দ বাহিনীর নেতা তাপস কর। তাঁর মতোই শাসক দলের আরও নেতা-কর্মী দলীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

ধূপগুড়িতে শাসক দলের বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

শুক্রবার ধূপগুড়ি শহর ব্লক এসসি ও ওবিসি সেলের উদ্যোগে পুন্যশ্লোক দাশগুপ্ত হলে আয়োজিত সম্মেলনে দলীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও কর্মী। সম্মেলনে কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল নেতারা অভিযোগ করেন, ধূপগুড়ির বিধায়ক সাধারণ মানুষের সমস্যায় কোনও গুরুত্ব দেন না। এলাকার মানুষ তো দূরের কথা, দলীয় কর্মীদের সঙ্গেও তাঁর কোনও যোগাযোগ নেই। বিধায়কের এই দূরত্বই দলের সংগঠনের পক্ষে ক্ষতিকর বলে দাবি করেন বক্তারা। সম্মেলন মঞ্চ থেকেই স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়, মানুষের পাশে না দাঁড়ালে এবং কর্মীদের অবহেলা করলে তা আর বরদাস্ত করা হবে না। বিধায়কের এই ভূমিকা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেই যে ক্ষোভ বাড়ছে, এদিনের সম্মেলন তারই ইঙ্গিত দিল।

ফের প্রার্থী হবেন নির্মল?

২০২৩ সালে ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী তাপসী রায়কে হারিয়ে জয় পান নির্মল। এবারের বিধানসভা নির্বাচনেও তিনিই প্রার্থী হতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু তার আগেই দলের একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করল।

শাসক দলকে কটাক্ষ বিজেপি-র

শাসক দলের নেতারাই দলীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করায় জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপি মুখপাত্র শ্যাম প্রসাদ বলেছেন, 'তৃণমূল তো কোনও রাজনৈতিক দল নয়। এটি টাকা মারা কোম্পানি। প্রাইভেট লিমিটেড। এখানে একজন সাধারণ কর্মী যখন বিধায়ককে অপদার্থ বলছেন, তাঁকে গালমন্দ করছেন, সেখানে বুঝতে হবে তাঁদের গোষ্ঠীকোন্দল রয়েছে। বাস্তবে তো ধূপগুড়ির বিধায়ক কোনও কাজ করতে পারেননি।'

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।