বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন কবে থেকে নিয়মিত চলাচল শুরু হবে তা জানিয়ে দিল পূর্ব রেল। ১৭ জানুয়ারি মালদা থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন কবে থেকে নিয়মিত চলাচল শুরু হবে তা জানিয়ে দিল পূর্ব রেল। ১৭ জানুয়ারি মালদা থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হাওড়া-কামাখ্যা-হাওড়া রুটে চলবে এই বন্দে ভারত স্লিপার। পূর্ব রেলের তরফে সোমবার জানানো হয়েছে, বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসের নিয়মিত চলাচল ২২ জানুয়ারি থেকে কামাখ্যা থেকে এবং ২৩ জানুয়ারি হাওড়া থেকে শুরু হবে। এই ট্রেন সপ্তাহে ছয় দিন চলবে। ২৭৫৭৬ কামাখ্যা-হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার সন্ধে ৬টা ১৫ মিনিটে কামাখ্যা থেকে ছেড়ে পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়া পৌঁছবে। ২৭৫৭৫ হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ২৩ জানুয়ারি থেকে প্রতিদিন (বৃহস্পতিবার বাদে) হাওড়া থেকে সন্ধে ৬টা ২০ মিনিটে মিনিটে ছেড়ে পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে কামাখ্যা পৌঁছবে।

ট্রেনটি উভয় দিকেই ব্যান্ডেল, নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, নিউ ফারাক্কা, মালদা টাউন, আলুবাড়ি রোড, নিউ জলপাইগুড়ি, জলপাইগুড়ি রোড, নিউ কোচবিহার, নিউ আলিপুরদুয়ার, নিউ বঙ্গাইগাঁও এবং রাঙ্গিয়া স্টেশনে থামবে। ট্রেনটিতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত থাকার ব্যবস্থা থাকবে। হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসের বুকিং ২০ জানুয়ারি থেকে কাউন্টার এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। নিউ জলপাইগুড়ি ও মালদা টাউন স্টেশনে ১০ মিনিট এবং আজিমগঞ্জ স্টেশনে ৫ মিনিট দাঁড়াবে এই ট্রেন। বাকি স্টেশনগুলিতে ২ মিনিট করে দাঁড়াবে। সপ্তাহে ছ’দিন চলবে হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস।

হাওড়া-কামাখ্যা-হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ১৬টি কোচ থাকবে, যার মধ্যে ১১টি থ্রি-টিয়ার এসি কোচ, ৪টি টু-টিয়ার এসি কোচ এবং ১টি ফার্স্ট ক্লাস এসি কোচ রয়েছে। ট্রেনটির মোট যাত্রী ধারণক্ষমতা ৮২৩ জন, যার মধ্যে থ্রি-টিয়ার এসিতে ৬১১টি বার্থ, টু-টিয়ার এসিতে ১৮৮টি বার্থ এবং ফার্স্ট ক্লাস এসিতে ২৪টি বার্থ রয়েছে, যা যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের থাকার বিকল্প নিশ্চিত করে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং যাত্রী-কেন্দ্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে ডিজাইন করা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটিতে উন্নত নিরাপত্তা ও নজরদারির জন্য সেন্সর-ভিত্তিক ইন্টারকমিউনিকেশন দরজা, শেষ প্রান্তের দেওয়ালে ফায়ার ব্যারিয়ার দরজা এবং সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। রাউটার ও অ্যাক্সেস পয়েন্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই সংযোগ, ভ্যাকুয়াম ইভাকুয়েশন টয়লেট, প্রশস্ত লাগেজ রাখার জায়গা এবং বিশেষভাবে সক্ষম যাত্রীদের জন্য বিশেষ বার্থ ও টয়লেটের মতো সুবিধা দিয়ে যাত্রীদের আরাম আরও বাড়ানো হয়েছে। ফার্স্ট এসি কোচগুলিতে অতিরিক্তভাবে গরম জলের সঙ্গে শাওয়ারের সুবিধাও রয়েছে।