সংক্ষিপ্ত
Kartik Maharaj: ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election) পরিবর্তনের ডাক দিলেন কর্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj)। তিনি বলেছেন, 'রাজ্যে শিক্ষা শিল্প সবই জেলে।'
Kartik Maharaj: ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election) পরিবর্তনের ডাক দিলেন কর্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj)। তিনি বলেছেন, 'রাজ্যে শিক্ষা শিল্প সবই জেলে।' ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন। সেখানো ভোট দেওয়ার বিষয়ও নিজের স্পষ্ট মতামত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন,' যে দল ভারতবর্ষের কথা বলবে, যে দল হিন্দু ধর্মের কথা বলবে, যে সব ধর্মরক্ষার কথা বলবে, যে দল সংস্কৃতির কথা বলবে আমরা সেই দলকেই ভোট দিতে বলব।'
রবিবার রায়গঞ্জ ভারত সেবাশ্রম সংঘের অনুষ্ঠান ছিল। সেখানেই কর্তিক মহারাজ বলেন, 'রাজ্যে একটা শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা দফতরটাই জেলে। রাজ্য খাদ্য দফতরটাই জেলে। শিক্ষা ব্যবস্থা কী অবস্থা হয়েছে। চিন্তা করবেন না?' তবে এখানেই থেকে থাকেন না। নাম না করে রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের দিকে একগুচ্ছ প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন। বলেছেন, 'বাংলার শিল্প কোথায় গেল? সাহিত্য কোথায় গেল? শিক্ষা কোথায় গেল? খাদ্য কোথায় গেল? সেটা বিচার্য নয়। আমার বিচার্য যখন ফিরহাদ হাকিম একথা বলছে, হুমায়ুন কবীর একথা বলছে, যখন সিদ্দিকুল্লা একথা বলছে, তখন সন্ন্যাসী হয়েও আমি রাস্তায় নেমেছি। কারণ আমার ধর্ম, আমরা সংস্কৃতি, আমার সমাজ, আমরা দেশ এরসঙ্গে যুক্ত রয়েছে।'
কার্তিক মহারাজের এই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল। রেজিনগরের বিধায়ক বলেছেন, 'কার্তিক মহারাজ স্বপ্ন দেখছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যেমন যোগী আদিত্যনাথ হয়েছে। সাধু পোশাক খুলে সাধারণ পোশাক পারে আপনি রাজ্যের বিজেপির সভাপতি হয়ে যান।' পাশাপাশি বিধায়ক আরও বলেছেন, ভোটে দাঁড়ালে কার্তিক মহারাজকে উচিৎ শিক্ষা দেবে রাজ্যের জনগণ।
এর আগে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র সমালোচনা করেছিলেন কার্তিক মহারাজের। তিনি বলেছিলেন, সব সাধু সমান নয়!সব স্বজন সমান হয় না। এরপরই মমতা কর্তিক মহারাজের নাম নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন যে কার্তিক মহারাজ বুথে তৃণমূল এজেন্ট বসতে দেয় না।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।