রাত পোহালেই লোকসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ। তার আগেই গলায় চূড়ান্ত আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা গেল প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি অধীর চৌধুরীর গলায়।

রাত পোহালেই লোকসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ। তার আগেই গলায় চূড়ান্ত আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা গেল প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি অধীর চৌধুরীর গলায়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মঙ্গলবার, গোটা দেশে ভোট গণনা। তার আগেই যেন একেবারে কনফিডেন্ট মুডে রয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি অধীর চৌধুরী। বহরমপুরে কংগ্রেস কার্যালয়ের নিচে সোমবার থেকেই মঞ্চ বাঁধার কাজ শুরু হয়েছে। যদিও বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী বলছেন, “অনেক মানুষ কাল আসবেন। তাই রোদ-জলের সময় যাতে তাদের কোনও অসুবিধে না হয়, সেইজন্যই এই ব্যবস্থা।”

ইতিমধ্যেই, বহরমপুরে কংগ্রেস দফতরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি দাবি করেছেন, বাম-কংগ্রেস জোট মুর্শিদাবাদের তিনটি আসনেই জিতবে। তাঁর মতে, “ভোট ঘোষণার সময় সবাই ভেবেছিল লড়াই শুধু তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে হবে। কিন্তু না। আমরা বাম-কংগ্রেস জোট সেই লড়াইকে ত্রিমুখী লড়াইয়ে পরিণত করতে পেরেছি। এটাই সবথেকে বড় সাফল্য আমাদের কাছে। অধীরের কথায়, বাম-কংগ্রেসের মিলিত ভোট আগের তুলনায় অনেকটাই বাড়বে।”

উল্লেখ্য, একাধিক সংস্থার বুথফেরৎ সমীক্ষা সামনে আসতেই বিজেপি বিরোধী সমস্ত দল সেই সমীক্ষার ফলাফলকে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে। সোমবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই বুথ সমীক্ষাকে ফেক বলে দাবি করেছেন। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই সমীক্ষাকে একদমই গুরুত্ব দিতে নারাজ। আর এবার একই সুর শোনা গেল অধীর চৌধুরীর গলাতেও। তিনি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তাঁর জয়ের ব্যাপারে। যদিও বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে এবার তৃণমূলের হয়ে প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান এবং বিজেপির হয়ে জনপ্রিয় চিকিৎসক নির্মলচন্দ্র সাহা লড়াই করছেন। ফলে, রাজনৈতিক সমীকরণ অনুযায়ী এই কেন্দ্রে এবার জোরদার লড়াই।

প্রসঙ্গত, গত ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে অধীর চৌধুরীর জয়ের ব্যবধান কমে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার থেকে নেমে এসেছিল ৮৭ হাজারে। আবার এই বহরমপুর বিধানসভাতেই প্রায় ৮৯ হাজার ভোটে গত লোকসভা নির্বাচনে এগিয়ে ছিলেন তিনি। ঠিক সেই জায়গাতেই আবার গত ২০২১ সালের নির্বাচনে প্রায় ৫০ হাজারের কাছাকছি ভোটে হেরে গেছিল কংগ্রেস।

এইসবকিছুর পরেও কিন্তু এতটুকু আত্মবিশ্বাসের অভাব চোখে পড়ছে না অধীর চৌধুরীর গলায়। এখন দেখার বিষয় এটিই যে, শেষপর্যন্ত জয়ের হাসি কে হাসে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।