Malda Crime News: নাবালিকা ধর্ষণ খুনে প্রেমিকের আজজীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ আদালতের। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Malda Crime News: নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় প্রেমিককে দোষী সাব্যস্ত করল মালদা জেলা আদালত। ১৩ জনের সাক্ষী ভিত্তিতে প্রেমিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিলেন মালদা জেলা আদালতের পকসো কোর্টের বিচারক রাজীব সাহা। আইনজীবী অসিতবরণ বোস জানান, নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করে খুনের ঘটনায় বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আদালত সূত্রে খবর, ওই নাবালিকার সঙ্গে সামিম আক্তার নামে এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমের সম্পর্ক থেকে তাদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। ঘটনার রাতে সামিম ওই নাবালিকাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। যৌনাঙ্গে নির্যাতন চালায়। পরে ওই নাবালিকাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে সামিম। প্রমাণ লোপাটে মৃতদেহে ইট বেঁধে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। 

এই ঘটনায় ১৩ জনের সাক্ষীর ভিত্তিতে সোমবার মালদহ জেলা আদালত সামিম আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে। ও তার বাবাকে বেকসুর খালাস করে। পকসো কোর্টের বিচারক রাজীব সাহা সামিম আক্তারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই টাকা নাবালিকার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, নাবালিকাকে অপহরণ, উদ্ধার। এতো কিছুর পরেও পুলিশ অভিযুক্ত সম্পর্কে উদাসীন। নির্যাতিতার পরিবার রীতিমত আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। থানা পুলিশ করেও কোনও লাভ না হওয়ায় অসহায় হয়ে উঠেছে পরিবার। নাবালিকা বর্তমানে একটি সরকারি হোমে রয়েছে। কিন্তু ছাড়়া পাওয়ার পরে নাবালিকার কী হবে তাই নিয়েই আশঙ্কা দানা বাঁধছে গোটা পরিবারের মধ্যে।

স্কুল থেকে অপহরণ নাবালিকা ছাত্রী। এরপর উদ্ধার করে পুলিশ। বর্তমানে তার ঠাঁই হয়েছে হোমে। নাবালিকার, পরিবারের পক্ষ থেকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য লাগাতার হুমকি দিচ্ছে অভিযুক্তরা। পুলিশ সুপার ও মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছে আতঙ্কিত নাবালিকার পরিবার। মালদা থানা এলাকার ঘটনা।

ওই নাবালিকার পরিবারের অভিযোগ, তাদের একমাত্র পুত্র সন্তান মারা গিয়েছে। সেই শোক কাটতে না কাটতেই, কয়েকদিন আগেই তাদের নাবালিকা মেয়ে স্কুল থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। এরপর তারা অপহরণের অভিযোগ করে মালদা থানায়। পুলিশ চারদিন পর মেয়েটিকে উদ্ধার করে। বর্তমানে সে হোমে রয়েছে। এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করছে না পুলিশ। এদিকে অভিযুক্ত লাগাতার এই নাবালিকার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।। তারা আতঙ্কিত হয়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে তারা যারা পুলিশ সুপার ও মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।