মালদায় তৃণমূল কাউন্সিলার দুলাল সরকার হত্যাকাণ্ডে দলের টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুরনো শত্রুতা এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব হত্যার কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মালদায় নিহত তৃণমূল কাউন্সিলার দুলাল সরকার ওরফে বাবলা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ গ্রেফতার হলেন দলের টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি। আদালতে যাওয়ার পথে নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি ওরফে নন্দু চিৎকার করে বলেন, বড় মাথা আমাদের দুজনকে ফাঁসিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

গ্রেফতার করা হয়েছে জনৈক স্বপ্ন শর্মাকে। এই নিয়ে ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ধৃতের সংখ্যা দাঁড়াল সাত। ধৃত দুজনকে বুধবারই মালদা জেলা আদালতে তোলা হয়।

নন্দু ওরফে নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি এবং বাবলা সরকারের সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল বলে খবর। বাবলা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি এবং তাঁর ভাইকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল। পুরনো শত্রুতার জেরেই সেই খুন হলে মনে করেছেন অনেকে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি ওরফে নন্দুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলারও ছিলেন। রাজনৈতিক সম্পর্কের বাইরেও বাবলা সরকারের সঙ্গে তাঁর গভীর বন্ধুত্ব ছিল। ২০২২ সালের পুরভোটের সময় নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি টিকিট দেয়নি তৃণমূল। তাঁকে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের টিকিট দেওয়া হয়নি। তাঁর জায়গায় বাবলা সরকার ওই ওয়ার্ড থেকে ভোটে দাঁড়ান। এবং জয়ও পান। সেই থেকে তিক্ত হয় নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি ও বাবলা সরকার সম্পর্ক।

তৃণমূল নেতা নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি ও তাঁর দুই ভাই বীরেন্দ্রনাথ ও অখিলেশকে ইংরেজবাজার থানায় মঙ্গলবার বেলা ১২টা ছেতে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। ২২ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের টাইন সভাপতিকে।

ফের সরগরম মালদা। মালদায় নিহত হন তৃণমূল কাউন্সিলার দুলাল সরকার ওরফে বাবলা। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ গ্রেফতার হলেন দলের টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি। তাঁকে বুধবার আদালতে তোলা হয়। এখনও চলছে তদন্ত। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত এই জল কত দূর পৌঁছায়।